আগামী দুই দিনের মধ্যে নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ ও পরবর্তী কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা, প্রার্থী ও ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ তিন দফা দাবি জানিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটি বা জেএনইউডিএস। সংগঠনটি নির্বাচনে কোনো পক্ষের চাপ বা প্রভাব ছাড়াই নিরপেক্ষ ও ন্যায়সংগত প্রক্রিয়া অনুসরণের দাবি জানিয়েছে। বুধবার ২৮ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শহীদ রফিক ভবনের নিচে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি তোলেন সংগঠনের সদস্যরা।
তাঁদের দাবিগুলো হলো আগামী দুই দিনের মধ্যে নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ ও পরবর্তী কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করতে হবে, নির্বাচনের দিন সব প্রার্থী ও ভোটারের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং কোনো পক্ষের চাপ বা প্রভাবের কাছে নতি স্বীকার না করে সাংবিধানিক ও ন্যায়সংগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক অধিকারকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে জেএনইউডিএসের সদস্য ও গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী সিফাত ফয়সাল বলেন সংগঠনটি কোনো রাজনৈতিক দলের নিয়ন্ত্রণে নয় এবং রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কোনো বিতার্কিক বঞ্চিত বা বাড়তি সুবিধা পেয়েছেন এমন কোনো প্রমাণ নেই। তিনি আরও বলেন ১৪৫ জনের ভোটার তালিকা বিভাগীয় চেয়ারম্যানদের স্বাক্ষরিত চিঠির ভিত্তিতে তৈরি হয়েছে। এ তালিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা মানে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা।
সোসাইটির অর্থ সম্পাদক সাদিয়া আফরোজ মিম বলেন গত ১৪ অক্টোবরের সংবাদ সম্মেলনে জেএনইউডিএসের কোনো বিতার্কিক ছিলেন না। জবির জ্যেষ্ঠ শিক্ষক ও বিভাগীয় চেয়ারম্যানদের স্বাক্ষরে গঠিত কমিশন ও ভোটার তালিকাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা মানে শিক্ষকদের অসম্মান করা। তাই শিক্ষকদের ওপর আস্থা রেখে দ্রুত নির্বাচন দেওয়ার দাবি জানান তিনি।
সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান বলেন প্রতিপক্ষ নিজেদের অযোগ্যতা ঢাকতে জেএনইউডিএসকে অকার্যকর করার চেষ্টা করছে। সংগঠনটি সম্পূর্ণ রাজনীতিমুক্ত এবং রাজনীতি বা পোশাকের কারণে কেউ বঞ্চনার শিকার হননি। পোশাকের স্বাধীনতা ও বিতর্কচর্চার পরিবেশ নিশ্চিত করার পক্ষে অবস্থান জানিয়ে তিনি অভিযোগ করেন জেএনইউডিএসকে অকার্যকর করার চেষ্টা চলছে। এ পরিস্থিতির পেছনে প্রশাসনের ওপর কোনো অদৃশ্য চাপ কাজ করছে কি না সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।
