মানসম্মত মৌলিক পাঠ্যবই প্রণয়ন এবং গবেষণা ও একাডেমিক প্রকাশনা কার্যক্রম জোরদার করতে বাংলা একাডেমি, প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) ও দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেডের (ইউপিএল) সঙ্গে পৃথক সমঝোতা স্মারক (MoU) সই করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় পৃথক অনুষ্ঠানে এসব সমঝোতা স্মারক সই হয়।
দুপুরে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালকের কনফারেন্স হলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ এবং বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম সমঝোতা স্মারকে সই করেন।
এর আগে রাজধানীর ফার্মগেটের আর এইচ হোম সেন্টারে ইউপিএলের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই হয়। এতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে উপাচার্য অধ্যাপক আমানুল্লাহ এবং ইউপিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহরুখ মহিউদ্দীন সই করেন।
পরে রাজধানীর সার্কিট হাউস রোডে পিআইবি কার্যালয়ে তৃতীয় সমঝোতা স্মারকটি সই হয়। এতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে উপাচার্য অধ্যাপক আমানুল্লাহ এবং পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ সই করেন।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, এসব সমঝোতার আওতায় শিক্ষক ও গবেষকদের একাডেমিক ও গবেষণাকর্ম বই আকারে প্রকাশের সুযোগ বাড়বে। পাশাপাশি বাংলা একাডেমির সাহিত্য, ভাষা ও গবেষণাভিত্তিক প্রকাশনার অভিজ্ঞতা, পিআইবির সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমবিষয়ক প্রকাশনা দক্ষতা এবং ইউপিএলের একাডেমিক প্রকাশনার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পাঠ্যবই, অনুবাদ ও গবেষণাধর্মী প্রকাশনা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সমঝোতা স্মারক সইয়ের বিষয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন বিষয়ে প্রায় চার হাজার কোর্স চালু থাকলেও মানসম্মত মৌলিক পাঠ্যবইয়ের সংকট রয়েছে। তাঁর ভাষ্য, বাজারে নিম্নমানের গাইড বইয়ের আধিক্যের কারণে শিক্ষার্থীরা মূল পাঠ্যবই থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
তিনি বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক মান শুধু শ্রেণিকক্ষের পাঠদানের ওপর নির্ভর করে না; মানসম্মত পাঠ্যবই, গবেষণা ও জ্ঞানভিত্তিক প্রকাশনাও গুরুত্বপূর্ণ। এ জায়গাগুলো শক্তিশালী করতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নিজস্ব উদ্যোগে মৌলিক পাঠ্যবই তৈরির কাজ করছে।
অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশনা ও বিপণন দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ড. ফারুক আহম্মেদসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
