সোনিয়া তাসনিম:
যদি প্রশ্ন করি, একজন শ্রমিকের শ্রমের মূল্য কতটুকু? তাহলে সঠিক জবাবটা আসলে কী হবে? ভাবনায় পড়ে গেলেন? বিষয়টা ভাবিয়ে তোলার পেছনে যথেষ্ট কারণ রয়েছে বৈকি। নারায়ণগঞ্জের সাম্প্রতিক শ্রমিক আন্দোলন আমাদের সম্মুখে সেই চিরচেনা কিছু মৌলিক প্রশ্ন হাজির করছে আবারও। উৎপাদন ব্যবস্থায় শ্রমিকের অবদান ও প্রাপ্তির মাঝের সামঞ্জস্য কোথায়, এ বিষয়টা কখনও বিচলিত করেছে কি আপনাকে? পুঁজির মালিকানা কি শ্রমের মর্যাদার চাইতেও বড়? এই যে প্রতিনিয়ত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গল্প আমরা শুনে আসছি, সেই প্রবৃদ্ধিতে শ্রমজীবী মানুষের জীবনমান কোথায়, তা কি ভেবেছি কখনও?
একটু খোলাসা করি বিষয়টি। গত কয়েকদিন ধরেই নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা, শিবু মার্কেট ও আশপাশের শিল্পাঞ্চলে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন, সড়ক অবরোধ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের মতো ঘটনাগুলো আমাদের আবারও নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে। শ্রমিকদের দাবির মাঝে অন্যতম প্রধান দাবি হলো মাসিক ন্যূনতম মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ৩০ হাজার টাকায় নির্ধারণ করা। পাশাপাশি অন্যান্য দাবির মাঝে রয়েছে রেশনিং ব্যবস্থা, ট্রেড ইউনিয়নের অধিকার, শ্রম আইন বাস্তবায়ন, অন্যায্য ছাঁটাই বন্ধ ও শ্রমিক হত্যার বিচার। বিগত ৫ নভেম্বর সকালে নারায়ণগঞ্জের শিল্পাঞ্চলে শ্রমিকদের কাজে ফেরার মধ্য দিয়ে পরিস্থিতি আপাতত সামলে নিলেও, পুরোদস্তুর স্বাভাবিকতা ফিরেছে কিনা এবং হাল আমলে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও মূল যে সমস্যাগুলো, সেসবের সমাধান হয়েছে কিনা, সেটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
(সূত্র: প্রথম আলো, ২ নভেম্বর; দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, ২ ও ৩ নভেম্বর; ডেইলি স্টার, ৪ নভেম্বর; বিএসএস, ৫ নভেম্বর ২০২৬)
এখানে একটি বিষয় বিশেষভাবে উল্লেখ করা প্রয়োজন। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে তৈরি পোশাকশ্রমিকদের সর্বনিম্ন মাসিক মজুরি ৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১২ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, বাসাভাড়া, চিকিৎসা ও অন্যান্য জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে এই মজুরির সামঞ্জস্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ২০২৬ সালের ১৫ অক্টোবর শ্রমিক সংগঠনের এক আলোচনায় উল্লেখ করা হয়, ২০১৮ সালে ৮ হাজার টাকায় যে পণ্য ও সেবা পাওয়া যেত, বর্তমানে সেগুলোর জন্য আনুমানিক ১৪ হাজার ৫০০ থেকে ১৫ হাজার টাকা প্রয়োজন হতে পারে। অর্থাৎ কাগজে-কলমে মজুরি বৃদ্ধি পেলেও প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতার বিচারে শ্রমিকের অবস্থান কতটা উন্নত হয়েছে, সেটি বিবেচনা করা জরুরি।
নারায়ণগঞ্জের আন্দোলনে অংশ নেওয়া একজন শ্রমিক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তাঁর মাসিক বেতন ১২ হাজার ৫০০ টাকা, অথচ বাড়িভাড়া বাবদই ব্যয় হয় ৫ হাজার ৫০০ টাকা। এর বাইরে খাবার, চিকিৎসা ও পরিবারের অন্যান্য খরচ তো রয়েছেই। একজন শ্রমজীবী মানুষের মাসিক আয়ের সঙ্গে তাঁর ন্যূনতম জীবনযাপনের ব্যয়ের এই যে ব্যবধান, সেটি কি আমাদের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ও উন্নয়ন ভাবনায় যথেষ্ট গুরুত্ব পাচ্ছে? (সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার, ২ নভেম্বর ২০২৬)
অন্যদিকে, বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্প কেবল একটি উৎপাদন খাত নয়, এটি দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। এই শিল্পে প্রায় ৪০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান এবং বছরে প্রায় ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রপ্তানি আয়ের বিষয়টি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমেও উঠে এসেছে। ফলে শ্রমিকের মজুরি, কর্মপরিবেশ ও অধিকার নিশ্চিত করার প্রশ্নটি কেবল একটি শিল্পাঞ্চলের অভ্যন্তরীণ সমস্যা নয়; বরং এটি জাতীয় অর্থনীতি, রপ্তানি সক্ষমতা ও আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থানের সঙ্গেও সম্পর্কিত। অর্থাৎ শ্রমিকের জীবনমান এবং শিল্পের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতাকে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই।
এই বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে আমার প্রকাশিতব্য উপন্যাস ‘বিপ্রতীপ’-এর এক গভীর যোগসূত্র গ্রথিত। কী করে? বিপ্রতীপ, যার অর্থই হলো বৈপরীত্য, কিন্তু একজন লেখক হিসেবে আমার কাছে বিপ্রতীপ কেবলই দুটি অবস্থানের নাম নয়। এটি আসলে এমন একটি সমাজ বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি, যেখানে মানুষের চিন্তা, আদর্শ, অর্থনৈতিক অবস্থান, শ্রেণিগত পরিচয় ও ক্ষমতার আকাঙ্ক্ষা প্রায়শই পরস্পরের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে যায়।
“বিপ্রতীপ” এই উপন্যাসের বিস্তৃত কলেবরে আমি রাজনৈতিক ও সামাজিক দর্শনের পাশাপাশি পুঁজিবাদী মানসিকতা, শ্রেণিবৈষম্য, শ্রমিকের অধিকার, মানবিক সম্পর্ক ও আদর্শিক যে সংঘাত, সেসবকে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। এখানে যেমন ব্যক্তিমানুষের জীবনসংগ্রাম উপস্থিত, তেমনি রয়েছে আমাদের এই বৃহত্তর সমাজব্যবস্থার জন্য কিছু অস্বস্তিকর প্রশ্ন। শ্রমিকের ঘামে ভিজে যে উৎপাদনব্যবস্থা সচল থাকে, সেই ব্যবস্থায় শ্রমিকের ন্যায্য প্রাপ্তি ও মর্যাদা সত্যিকার অর্থে নিশ্চিত হচ্ছে কিনা, সেটি ‘বিপ্রতীপ’ উপন্যাসের ভাবনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
নারায়ণগঞ্জের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি আমাদের সেই প্রশ্নগুলোর বাস্তব প্রতিফলন দেখায়। একদিকে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের টিকে থাকা, উৎপাদন, রপ্তানি ও বিনিয়োগের বাস্তবতা, অপরদিকে শ্রমিকের ন্যূনতম জীবনযাপন, খাদ্য, বাসস্থান, চিকিৎসা ও পরিবারের দায়িত্ব- এই দুই কঠিন বাস্তবতাকে পরস্পরের প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করানো নয়, বরং একটি ন্যায়সংগত ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করাই আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত। আফসোস হলো, সেখানে আমরা অনেকাংশে ব্যর্থ।
এই ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা জরুরি, কারণ শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিত করা ও শিল্পের বিকাশ বজায় রাখা পরস্পরবিরোধী কখনই নয়। বরং একটি মজবুত অর্থনীতির জন্য দুটোই অপরিহার্য। একজন শ্রমিক যখন ন্যায্য মজুরি পান, নিরাপদ কর্মপরিবেশে কাজ করেন এবং তাঁর শ্রমের যথাযথ মর্যাদা পান, তখন সেটি কেবল তাঁর ব্যক্তিগত জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে না, বরং সামগ্রিক উৎপাদনব্যবস্থার স্থিতিশীলতাতেও ভূমিকা রাখে। শ্রমিকের সন্তুষ্টি, দক্ষতা ও কর্মপরিবেশের উন্নয়ন শিল্পের দীর্ঘমেয়াদি প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতার সঙ্গেও সম্পর্কিত।
এখানে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, শ্রমিকের অধিকার কেবল মজুরির অঙ্কের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। একজন শ্রমিকের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ, কর্মঘণ্টার যথাযথ হিসাব, সময়মতো বেতন ও ভাতা, সামাজিক নিরাপত্তা, চিকিৎসাসুবিধা, সংগঠিত হওয়ার অধিকার এবং কর্মক্ষেত্রে সম্মানজনক আচরণও সমান গুরুত্বপূর্ণ। শ্রমিকের জীবনকে শুধু উৎপাদনের একটি উপাদান হিসেবে বিবেচনা করলে তার মানবিক পরিচয়টি উপেক্ষিত থেকে যায়। অথচ প্রতিটি উৎপাদিত পণ্যের পেছনে রয়েছে একজন মানুষের সময়, শ্রম, শারীরিক সক্ষমতা ও জীবনের একটি বড় অংশ।
এ প্রসঙ্গে ১ নভেম্বর সরকার তৈরি পোশাকশ্রমিকদের জন্য নতুন ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন করে। ৪ নভেম্বর বোর্ডের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার তথ্যও প্রকাশিত হয়েছে। সংশোধিত মজুরি কাঠামো ডিসেম্বর থেকে কার্যকর করার প্রত্যাশার কথাও জানানো হয়েছে। নিঃসন্দেহে এটি শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের দাবি পর্যালোচনার একটি প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ। তবে শুধু নতুন মজুরি কাঠামো নির্ধারণই যথেষ্ট নয়; সেটি যথাযথভাবে বাস্তবায়ন, শ্রমিকদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা এবং কর্মক্ষেত্রে অধিকার সুরক্ষার বিষয়গুলোও সমান গুরুত্বের দাবি রাখে।
‘বিপ্রতীপ’ উপন্যাসে আদর্শ ও ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, পুঁজির প্রভাব ও শ্রমজীবী মানুষের অস্তিত্বের প্রশ্নগুলো বিভিন্ন চরিত্র ও ঘটনার মধ্য দিয়ে উঠে এসেছে। এখানে উপস্থাপিত প্রশ্ন খুব গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু পাঠকের ওপর কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত চাপানোর প্রচেষ্টা নেই। বরং পাঠক যেন নিজস্ব বিবেক, যুক্তি ও অভিজ্ঞতা দিয়ে সমাজকে বিশ্লেষণ করতে সমর্থ হন, সেই পরিসরটা তৈরি করাই আমার উদ্দেশ্য।
তাহলে, বর্তমান পরিস্থিতি বুঝতে বিপ্রতীপ পড়া কেন জরুরি? জরুরি। কারণ, সংবাদ আমাদের ঘটনার বিবরণ দেয়, কিন্তু সাহিত্যের কাজ অনেক সময়ই সেই ঘটনার অন্তর্নিহিত মানবিক ও মনস্তাত্ত্বিক বাস্তবতা উপলব্ধি করার সুযোগ সৃষ্টি করে। একটি শ্রমিক আন্দোলনের নেপথ্যে কেবল মজুরির অঙ্কটাই হিসাব কষে না, এর সঙ্গে থাকে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা, বঞ্চনা, অনিশ্চয়তা, আত্মমর্যাদা ও বেঁচে থাকার সংগ্রাম। একই সঙ্গে থাকে মালিকপক্ষের অর্থনৈতিক চাপ, শিল্পের প্রতিযোগিতা ও বৃহত্তর অর্থনৈতিক কাঠামোর জটিলতা। এসবের মাঝের সম্পর্কগুলো বুঝতে আমাদের একপাক্ষিক দৃষ্টিভঙ্গির গণ্ডি ভেঙে বেরিয়ে আসতে হবে।
এখানে আসলে সাহিত্যের একটি বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। একজন শ্রমিকের আন্দোলনকে আমরা হয়তো সংবাদে কয়েকটি শিরোনাম, কিছু ছবি কিংবা সংঘর্ষের বিবরণ হিসেবে দেখি। কিন্তু সাহিত্যের মধ্য দিয়ে সেই শ্রমিকের ঘরে ফিরে যাওয়ার গল্প, সন্তানের পড়াশোনার খরচ জোগানোর দুশ্চিন্তা, অসুস্থ মা-বাবার চিকিৎসা কিংবা মাস শেষে বাড়িভাড়া পরিশোধের অনিশ্চয়তাকে উপলব্ধি করার সুযোগ তৈরি হয়। একইভাবে একজন শিল্পমালিকের বিনিয়োগ, উৎপাদন ব্যয়, আন্তর্জাতিক বাজারের প্রতিযোগিতা ও ব্যবসায়িক ঝুঁকির বাস্তবতাও আলোচনার বাইরে থাকতে পারে না। অর্থাৎ সমাজের একটি বাস্তবতাকে বুঝতে হলে তার বিভিন্ন পক্ষের অবস্থান ও মনস্তত্ত্ব অনুধাবন করা প্রয়োজন। সাহিত্যের শক্তি এখানেই, এটি মানুষকে কেবল ঘটনা দেখায় না, ঘটনার অন্তর্গত মানুষগুলোকেও চিনতে শেখায়।
লেখক হিসেবে তাই মনে করি, “বিপ্রতীপ” পাঠককে ঠিক সেই জায়গাতেই নিতে আগ্রহী, যেখানে তিনি নিজেকেই নিজে প্রশ্ন করবেন। অর্থনীতি আগে, নাকি মানুষ? ক্ষমতা বড় না আদর্শ? পুঁজি বড়, নাকি শ্রমের মর্যাদা? আর উন্নয়নের প্রকৃত সাফল্য কি কেবল উৎপাদন ও রপ্তানির পরিসংখ্যানেই আঁকা হয়, নাকি প্রাধান্য পায় মানুষের জীবনমানের উন্নয়নও? আমার বিশ্বাস, সাহিত্য শুধু বিনোদনের খোরাক নয়, সাহিত্যের কাজ জনজীবনকে তুলে ধরা। সাহিত্য সমাজকে প্রশ্ন করতে শেখায়, চিন্তার নতুন জানালা উন্মুক্ত করে।
তাই নারায়ণগঞ্জের শ্রমিক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে কাউকে দোষারোপ করা কিংবা কারও পক্ষের হয়ে অবস্থান তৈরি করার আগে আসুন আমরা সমস্ত বিষয়গুলো একটু গভীরভাবে ভাববার প্রয়াস করি। শ্রমিকের অধিকার, শিল্পের ভবিষ্যৎ ও মানবিক মর্যাদার প্রশ্নকে একই আলোচনার আলোকে নিয়ে আসি।
পাঠকদের আহ্বান করব, ‘বিপ্রতীপ’ পড়ুন। এটি কেবল একটি উপন্যাস পড়ার জন্য নয়, বরং আমাদের চারপাশের সমাজ, অর্থনীতি, শ্রেণিসম্পর্ক ও মানুষের অন্তর্গত বৈপরীত্যগুলো নতুন করে উপলব্ধি করার জন্য। পাঠকদের বলতে চাই, বইটি পড়ুন, প্রশ্ন তুলুন, দ্বিমত পোষণ করুন, নিজের মতো করে ভাবুন, ভাবনাটাকে বিশ্লেষণ করুন। কারণ, চিন্তার স্বাধীনতা ও যুক্তিনির্ভর প্রশ্ন করার মধ্য দিয়েই একটি সচেতন সমাজ গড়ে ওঠে, যার ওপর দাঁড়ায় একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রকাঠামো।
“বিপ্রতীপ” আসলে একটি প্রশ্ন। যে প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে আমরা হয়তো আমাদের চেনা সমাজকেই নতুন করে চিনতে শিখব। তাই, দেরি নয়। ভাবতে শুরু করুন। সেই শুরুটা হোক এখন থেকেই।
লেখক, প্রাবন্ধিক, কলামিস্ট
