ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য করতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। নির্বাচনী এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
আগামী ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনী এলাকায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। সরকারি নির্দেশনা, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা এবং প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান অনুসরণ করে নিরপেক্ষতা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে বাহিনীটি।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে বিজিবির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ঠাকুরগাঁও সেক্টরের অধীন ঠাকুরগাঁও ব্যাটালিয়ন (৫০ বিজিবি) নির্বাচনী এলাকার দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় ৩টি উপজেলায় ২২টি ইউনিয়ন ও ৩টি পৌরসভায় সর্বমোট ২১ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় বিজিবি সদস্যরা মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এ ছাড়া বিজিবির কে-৯ ডগ ইউনিটও নির্বাচনী নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করছে। নির্বাচনী এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার ও গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাশাপাশি বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার এবং ড্রোনের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ভোটাররা যাতে নিরাপদে, নির্বিঘ্নে ও শঙ্কামুক্ত পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে বিজিবি। একই সঙ্গে সব প্রার্থী যেন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড পান এবং নির্বিঘ্নে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে পারেন, সে বিষয়েও সতর্ক রয়েছে বাহিনীটি।
নির্বাচনকালে সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি ও টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। চোরাচালান, অবৈধ সীমান্ত অতিক্রম এবং নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হতে পারে এমন অপরাধমূলক তৎপরতা প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে।
বিজিবি জানিয়েছে, নির্বাচনী এলাকায় যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা, সহিংসতা কিংবা জননিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বাহিনীটি প্রস্তুত রয়েছে। প্রচলিত আইন, বিধিবিধান ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুসরণ করে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করা হবে।
শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ নির্বাচন অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনগণ, রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, প্রার্থী, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেছে বিজিবি।
