শিরোনাম:
Network News BD
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
মেনু
প্রচ্ছদ

© 2026 Network News BD

তেলাপোকা-টিকটিকি দেখলেই আতঙ্ক: ভয়ের পেছনে বিজ্ঞান কী বলে ?

তাহমিদা খানম

প্রকাশিত: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৯:২০ AM ২৬ বার পঠিত
তেলাপোকা-টিকটিকি দেখলেই আতঙ্ক: ভয়ের পেছনে বিজ্ঞান কী বলে ?

বিরক্তি, বিতৃষ্ণা, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও সামাজিক শিক্ষা—সবই প্রাণীভীতির পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে। গবেষণায় নারীদের মধ্যে কিছু প্রাণীর প্রতি ভয়ের প্রবণতা বেশি দেখা গেলেও তেলাপোকা ও টিকটিকির ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের পার্থক্য এবং ভয়ের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো পুরোপুরি ব্যাখ্যা করা যায়নি।

ঘরের মেঝেতে একটি তেলাপোকা দেখা গেল, কিংবা দেয়ালে চোখে পড়ল একটি টিকটিকি। কারও কাছে ঘটনাটি সামান্য বিরক্তিকর; আবার কেউ চিৎকার করে ওঠেন, দূরে সরে যান, এমনকি ঘর ছেড়েও বেরিয়ে যেতে পারেন। নারীদের মধ্যে এ ধরনের প্রতিক্রিয়া তুলনামূলক বেশি চোখে পড়ে বলে প্রচলিত ধারণা রয়েছে। কিন্তু বেশি চোখে পড়া আর বাস্তবে ভয়ের হার বেশি হওয়া এক বিষয় নয়। এ ভয় কি জন্মগত, নাকি অভিজ্ঞতা ও সামাজিক পরিবেশের প্রভাবেই তৈরি হয়?

গবেষণা বলছে, এ প্রশ্নের একক কোনো উত্তর নেই। ভয়ের সঙ্গে জড়িয়ে থাকতে পারে বিতৃষ্ণা, প্রাণীটির আকস্মিক নড়াচড়া, পূর্বের অপ্রীতিকর অভিজ্ঞতা এবং অন্যের আচরণ দেখে শেখা প্রতিক্রিয়া। তবে তেলাপোকা ও টিকটিকিকে ঘিরে গবেষণার পরিমাণ সমান নয়। তেলাপোকাভীতি নিয়ে সরাসরি গবেষণা রয়েছে; ঘরের পরিচিত টিকটিকির প্রতি ভয়ের কারণ নিয়ে নির্দিষ্ট গবেষণা তুলনামূলকভাবে সীমিত।

ভয়ের সঙ্গে মিশে থাকে বিতৃষ্ণা

তেলাপোকা দেখলে অনেকের প্রথম প্রতিক্রিয়াটি নিছক ভয় নয়; তার সঙ্গে মিশে থাকে ঘৃণা বা বিতৃষ্ণা। প্রাণীটির দ্রুত ও অনিয়মিত চলাফেরা, হঠাৎ দিক পরিবর্তন কিংবা অপ্রত্যাশিতভাবে উড়ে আসা অস্বস্তি বাড়াতে পারে। তেলাপোকাকে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও জীবাণুর আশঙ্কার সঙ্গে যুক্ত করার প্রবণতাও প্রতিক্রিয়াকে তীব্র করতে পারে। ফলে প্রাণীটি বাস্তবে কতটা বিপজ্জনক, তার পাশাপাশি তাকে ঘিরে তৈরি হওয়া অনুভূতিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

মনোবিজ্ঞানী গ্রাহাম ডেভির ১৯৯৪ সালের একটি গবেষণায় যুক্তরাজ্যের প্রাপ্তবয়স্কদের বিভিন্ন প্রাণীর প্রতি স্বঘোষিত ভয় পরীক্ষা করা হয়। এতে তেলাপোকা, কেঁচো ও শামুকের মতো অমেরুদণ্ডী প্রাণীর প্রতি ভয়ের সঙ্গে বিতৃষ্ণা-সংবেদনশীলতার সম্পর্ক পাওয়া যায়। গবেষণাটিতে নারীরা অনেক প্রাণীর ক্ষেত্রে পুরুষদের তুলনায় বেশি ভয়ের কথা জানান। তবে এই সম্পর্ক প্রমাণ করে না যে বিতৃষ্ণাই ভয়ের একমাত্র কারণ, কিংবা সব নারী স্বভাবগতভাবেই তেলাপোকাকে বেশি ভয় পান।

২০২১ সালে Behavior Research Methods সাময়িকীতে প্রকাশিত জর্জ গ্রিমালদোস ও তাঁর সহগবেষকদের একটি গবেষণায় ৪২৪ জন অংশগ্রহণকারীকে তেলাপোকা, মাকড়সা, সাপ, বিড়াল ও প্রজাপতির মোট ২৪০টি ছবি দেখিয়ে আবেগগত প্রতিক্রিয়া মূল্যায়ন করা হয়। তেলাপোকার ছবিগুলোকে অন্য চার ধরনের প্রাণীর ছবির তুলনায় বেশি অপ্রীতিকর বলে মূল্যায়ন করা হয়। নারীরা তেলাপোকা, মাকড়সা ও সাপের ছবির প্রতি পুরুষদের তুলনায় বেশি নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানান এবং তেলাপোকার ছবি তাঁদের মধ্যে তুলনামূলক বেশি আবেগগত উত্তেজনা সৃষ্টি করে। তবে অংশগ্রহণকারীদের ৭২.৯ শতাংশই ছিলেন নারী, এবং তাঁরা সবাই স্পেনের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। ফলে ফলাফলটি গুরুত্বপূর্ণ হলেও একে সমগ্র নারী-পুরুষের ক্ষেত্রে সরাসরি প্রয়োগ করা যায় না।

এখানে আরেকটি পার্থক্য গুরুত্বপূর্ণ। কোনো প্রাণীর ছবি অপ্রীতিকর মনে হওয়া এবং সেই প্রাণীর প্রতি এমন তীব্র, স্থায়ী ভয় থাকা, যা দৈনন্দিন জীবনে বাধা সৃষ্টি করে—দুটি এক বিষয় নয়। ওই গবেষণা ছবির প্রতি আবেগগত প্রতিক্রিয়া পরিমাপ করেছে; বাস্তবে কত শতাংশ নারী তেলাপোকাকে ভয় পান, তা নির্ধারণ করেনি।

টিকটিকির ক্ষেত্রে ভয় ও বিতৃষ্ণার সম্পর্কের কিছু প্রমাণ পাওয়া যায় ২০১৯ সালে Animals সাময়িকীতে প্রকাশিত মার্কেতা ইয়ানোভৎসোভা ও তাঁর সহগবেষকদের গবেষণায়। তাঁরা ১২৭টি সরীসৃপের ছবি ব্যবহার করে মানুষের ভয়, বিতৃষ্ণা ও সৌন্দর্যবোধ মূল্যায়ন করেন। কিছু টিকটিকি প্রজাতির ক্ষেত্রে ভয় ও বিতৃষ্ণার মধ্যে ইতিবাচক সম্পর্ক দেখা যায়। কিন্তু গবেষণাটি ঘরের পরিচিত টিকটিকিকে কেন্দ্র করে করা হয়নি। তাই এর ফল থেকে সরাসরি বলা যায় না, আমাদের ঘরের টিকটিকিকে দেখে মানুষের ভয় কেন তৈরি হয়।

নারী-পুরুষের পার্থক্য: প্রবণতা আছে, সর্বজনীন নিয়ম নয়

নারীরা কিছু প্রাণীর প্রতি পুরুষদের তুলনায় বেশি ভয়ের কথা জানান—মনোবিজ্ঞানের গবেষণায় এমন প্রবণতা একাধিকবার উঠে এসেছে। তবে এই পার্থক্য সব প্রাণী, সব সংস্কৃতি কিংবা প্রত্যেক ব্যক্তির ক্ষেত্রে একই রকম নয়।

১৯৯৬ সালে Behaviour Research and Therapy সাময়িকীতে প্রকাশিত ম্যাটস ফ্রেডরিকসন ও তাঁর সহগবেষকদের একটি গবেষণায় ১৮ থেকে ৭০ বছর বয়সী ৭০৪ জন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে নির্দিষ্ট ভয় ও ফোবিয়ার উপস্থিতি পরীক্ষা করা হয়। নমুনাটি নেওয়া হয়েছিল দৈবভাবে নির্বাচিত এক হাজার প্রাপ্তবয়স্কের মধ্য থেকে। গবেষণায় নির্দিষ্ট ফোবিয়ার সামগ্রিক হার নারীদের মধ্যে ২৬.৫ শতাংশ এবং পুরুষদের মধ্যে ১২.৪ শতাংশ পাওয়া যায়। প্রাণীভীতির হার ছিল নারীদের মধ্যে ১২.১ শতাংশ, পুরুষদের মধ্যে ৩.৩ শতাংশ। তবে গবেষণায় মূল্যায়ন করা প্রাণীদের তালিকায় মাকড়সা ও সাপ ছিল; তেলাপোকা ও ঘরের টিকটিকি ছিল না। ফলে এই সংখ্যাকে তেলাপোকা বা টিকটিকিভীতির হার হিসেবে উপস্থাপন করা ভুল হবে।

আরও বিস্তৃত পরিসরে ২০১৭ সালে World Mental Health Surveys–এর তথ্য ব্যবহার করে প্রকাশিত একটি গবেষণায় ২২টি দেশের ১,২৪,৯০২ জন মানুষের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। এতে নির্দিষ্ট ফোবিয়ার জীবদ্দশায় উপস্থিতির হার ছিল সামগ্রিকভাবে ৭.৪ শতাংশ; নারীদের মধ্যে ৯.৮ শতাংশ এবং পুরুষদের মধ্যে ৪.৯ শতাংশ। আগের ১২ মাসের হিসাবেও নারীদের হার ছিল বেশি—নারীদের ৭.৭ শতাংশ, পুরুষদের ৩.৩ শতাংশ। তবে এই পরিসংখ্যান সব ধরনের নির্দিষ্ট ফোবিয়াকে নিয়ে, কেবল প্রাণীভীতি বা তেলাপোকা-টিকটিকির ভয় নিয়ে নয়।

নারীরা বেশি ভয় পাওয়ার পেছনে জৈবিক কারণ আছে কি না, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু নারী-পুরুষের গড় প্রতিক্রিয়ায় পার্থক্য থাকলেই তাকে জন্মগত বা জৈবিক বলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া যায় না। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, সামাজিক পরিবেশ, ভয় প্রকাশের অনুমোদন এবং বিতৃষ্ণার মাত্রাও ভূমিকা রাখতে পারে। এসব প্রভাবকে আলাদা করে পরিমাপ করাও কঠিন।

ভয় শেখা যায়, ছড়িয়েও পড়ে

শিশু কোনো প্রাণীকে ভয় পাওয়ার আগেই অন্যের প্রতিক্রিয়া দেখে সেটিকে ভয়ের বিষয় হিসেবে চিনতে শিখতে পারে। মা-বাবা বা কাছের কাউকে তেলাপোকা দেখে আতঙ্কিত হতে, চিৎকার করতে কিংবা দ্রুত পালিয়ে যেতে দেখলে শিশুও প্রাণীটিকে বিপজ্জনক বলে ধরে নিতে পারে। আবার পরিবারের কথাবার্তায় কোনো প্রাণীকে বারবার ভয়ংকর বা ঘৃণ্য বলে চিহ্নিত করা হলে সেই ধারণা শিশুর মনেও গেঁথে যেতে পারে। এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে ভয় শেখা বা সামাজিক ভয়-শিক্ষণ।

২০২৩ সালে প্রকাশিত একটি পদ্ধতিগত পর্যালোচনা ও মেটা-বিশ্লেষণে এ বিষয়ে ২৩টি গবেষণা পর্যালোচনা করা হয়; এর মধ্যে ১৯টি গবেষণার ফল পরিসংখ্যানগতভাবে একত্রে বিশ্লেষণ করা হয়। গবেষণাগুলোতে ৩০ মাস বয়স পর্যন্ত শিশুরা অভিভাবকের ভীতিকর প্রতিক্রিয়া দেখার পর নতুন উদ্দীপকের প্রতি ভয় ও এড়িয়ে চলার প্রবণতা তৈরি করে কি না, তা পরীক্ষা করা হয়। বিশ্লেষণে অভিভাবকের ভয়-প্রকাশের সঙ্গে শিশুর ভয় ও এড়িয়ে চলার প্রবণতার একটি তাৎপর্যপূর্ণ সম্পর্ক পাওয়া যায়।

তবে এই গবেষণাগুলো তেলাপোকা বা টিকটিকি-নির্দিষ্ট ছিল না। এগুলো সাধারণভাবে অন্যের আচরণ দেখে ভয় শেখার প্রক্রিয়া পরীক্ষা করেছে। তাই সামাজিক শিক্ষার গুরুত্ব বোঝা গেলেও কোনো নির্দিষ্ট প্রাণীর প্রতি ভয়ের কতটা অংশ পরিবার বা সমাজ থেকে আসে, তা এই গবেষণা দিয়ে নির্ধারণ করা যায় না।

নিজের অভিজ্ঞতাও ভয় তৈরি করতে পারে। শৈশবে কোনো প্রাণীর হঠাৎ কাছে চলে আসা বা অপ্রত্যাশিত নড়াচড়ায় চমকে ওঠার ঘটনা পরে ভয়ের স্মৃতি হিসেবে কাজ করতে পারে। আবার সরাসরি কোনো খারাপ অভিজ্ঞতা না থাকলেও অন্যের প্রতিক্রিয়া ও প্রাণীটির চেহারা বা আচরণের প্রতি বিতৃষ্ণা থেকে ভয় তৈরি হতে পারে। ফলে একই পরিবেশে বেড়ে ওঠা দুই ভাইবোনের প্রতিক্রিয়াও আলাদা হতে পারে।

গবেষণা যা জানায়, আর যা এখনো জানায় না

তেলাপোকাভীতির সময় মস্তিষ্কের কার্যকলাপ নিয়েও গবেষণা হয়েছে। ফ্রান্সিসকো রিভেরো ও সহগবেষকদের ২০১৭ সালের একটি গবেষণায় তেলাপোকাভীতিতে আক্রান্ত ১২ জন এবং ফোবিয়া নেই এমন ১২ জনসহ মোট ২৪ জন প্রাপ্তবয়স্কের মস্তিষ্কের প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করা হয়। ভীতিকর উদ্দীপক দেখার সময় দুই দলের মস্তিষ্কের সক্রিয়তার ধরনে পার্থক্য পাওয়া যায়। তবে নমুনা ছিল খুব ছোট, এবং দুই দলের গড় বয়সেও উল্লেখযোগ্য পার্থক্য ছিল। তাই এ গবেষণা তেলাপোকাভীতির স্নায়বিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা দিলেও নারী-পুরুষের পার্থক্য ব্যাখ্যা করতে পারে না।

ভয়কে ব্যাখ্যা করতে বিবর্তনীয় তত্ত্বও আলোচিত হয়েছে। এ ধারণা অনুযায়ী, মানুষের পূর্বপুরুষদের টিকে থাকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কোনো উদ্দীপকের প্রতি ভয় শেখার প্রবণতা তুলনামূলক সহজ হতে পারে। কিন্তু ২০১৮ সালে প্রকাশিত একটি পদ্ধতিগত পর্যালোচনায় সাপ ও মাকড়সার ছবি ব্যবহার করে ভয় শেখার পরবর্তী প্রতিক্রিয়া নিয়ে ২৩টি গবেষণার ৩২টি পরীক্ষার ফল বিশ্লেষণ করা হয়। এর মধ্যে মাত্র ১০টি পরীক্ষায় শেখা শারীরিক ভয়-প্রতিক্রিয়া সহজে দূর না হওয়ার ধারণার সমর্থন পাওয়া যায়; বাকি ২২টি পরীক্ষায় তা পাওয়া যায়নি। ফলে বিবর্তনীয় ব্যাখ্যাকে সব প্রাণীভীতির প্রতিষ্ঠিত কারণ বলা যায় না। তা ছাড়া, এই পর্যালোচনাটি সরাসরি তেলাপোকা বা টিকটিকির ভয় নিয়ে করা হয়নি।

গবেষণার কয়েকটি সীমাবদ্ধতাও গুরুত্বপূর্ণ। অনেক গবেষণা ইউরোপীয় বা পশ্চিমা দেশের মানুষের ওপর পরিচালিত হয়েছে; কিছু গবেষণায় অংশগ্রহণকারী তুলনায় কম, আবার কিছু গবেষণায় নারী-পুরুষের অনুপাত সমান নয়। ছবি দেখে আবেগের মাত্রা জানানো, প্রশ্নপত্রে ভয়ের কথা স্বীকার করা এবং বাস্তবে প্রাণীটির মুখোমুখি হওয়া এক ধরনের অভিজ্ঞতা নয়। উপরন্তু, তেলাপোকা নিয়ে সরাসরি গবেষণা থাকলেও ঘরের টিকটিকির প্রতি ভয়ের কারণ ও নারী-পুরুষের পার্থক্য সম্পর্কে প্রমাণ অনেক কম। বাংলাদেশে এ দুই প্রাণীর প্রতি ভয়ের হার নিয়ে নির্ভরযোগ্য জাতীয় প্রতিনিধিত্বশীল গবেষণা এই প্রতিবেদনের অনুসন্ধানে শনাক্ত করা যায়নি।

তাই “সব নারীই তেলাপোকা বা টিকটিকিকে ভয় পান” কিংবা “নারীরা জন্মগতভাবেই বেশি ভীতু”—এ ধরনের সিদ্ধান্ত বৈজ্ঞানিক গবেষণার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। বরং গবেষণা ইঙ্গিত দেয়, নির্দিষ্ট প্রাণীর প্রতি ভয় তৈরিতে বিতৃষ্ণা, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও সামাজিক শিক্ষার সম্মিলিত ভূমিকা থাকতে পারে; কারও ক্ষেত্রে একটি কারণ, অন্য কারও ক্ষেত্রে একাধিক কারণ প্রাধান্য পেতে পারে। তবে যেকোনো ভয়কে নিয়ে উপহাস না করে তার কারণ বোঝার চেষ্টা করাই যুক্তিসংগত।

ডিএ/

মন্তব্য করুন

আজকের নামাজের সময়সূচি (ঢাকা)

সময় লোড হচ্ছে...

ADVERTISEMENT

ফেসবুকে আমরা

প্রতিদিনের খবর ইমেইলে

লিংক কপি হয়েছে!