শিরোনাম:
Network News BD
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
মেনু
প্রচ্ছদ

© 2026 Network News BD

পুজার ছুটির আগেই সাপ্তাহিক ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকদের ভিড়

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৬:১৪ PM ১৫ বার পঠিত
পুজার ছুটির আগেই সাপ্তাহিক ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকদের ভিড়

ছবি: সংগৃহীত

দুর্গাপূজার টানা পাঁচ দিনের ছুটির আগেই সাপ্তাহিক ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকদের উপচেপড়া ভিড়। সমুদ্রের ঢেউ, বিস্তীর্ণ বালুচর আর নীল জলরাশির টানে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসছে পর্যটকরা।

শুক্রবার বিকেল গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে পর্যটকদের পাশাপাশি স্থানীয় দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে সৈকতের কলাতলী, সুগন্ধা ও লাবণী পয়েন্ট। আবহাওয়া পরিস্থিতি ভালো থাকায় সৈকতে বেড়েছে দর্শনার্থীদের উপস্থিতি। সমুদ্রের উত্তাল ঢেউয়ের সঙ্গে আনন্দে মেতে থাকতে দেখা গেছে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকদের।

সমুদ্রে গোসল করতে নেমে দুর্ঘটনা এড়াতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন লাইফগার্ড সদস্যরা। বিশেষ করে কলাতলী, সুগন্ধা ও লাবণী পয়েন্টে পর্যটকদের নিরাপত্তায় কাজ করছেন তারা।

শুক্রবার বিকাল ৪টার দিকে সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে গিয়ে দেখা গেছে, সৈকতে ঘুরতে আসা পর্যটকদের কেউ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে, কেউবা বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দঘন সময় কাটাচ্ছেন। সমুদ্রের ঢেউ উপভোগ করার পাশাপাশি ছবি তুলে ছুটির দিনের মুহূর্তগুলো স্মরণীয় করে রাখছেন অনেকেই।

ঢাকার ধানমন্ডি থেকে আসা হুজাইফা আমিন বাসস’কে বলেন, ‘অনেক দিন পর কক্সবাজারে ঘুরতে এসেছি। আবহাওয়া ভালো থাকায় সৈকতে এসে বেশ ভালো লাগছে। সমুদ্রের ঢেউ উপভোগ করছি। পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সুন্দর সময় কাটাচ্ছি।’

স্থানীয় বাসিন্দা ওসমান গনি বলেন, ‘শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় বিকেল থেকে সৈকতে মানুষের ভিড় বেড়েছে। পর্যটকদের পাশাপাশি স্থানীয় অনেক মানুষও সৈকতে ঘুরতে আসছেন। আবহাওয়া ভালো হতে শুরু করায় সৈকতে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসছে।’

শাহেনা আক্তার বলেন, ‘কক্সবাজারের সৈকত পর্যটকদের কাছে সব সময়ই আকর্ষণীয়। ছুটির দিনে পর্যটকদের এমন উপস্থিতি দেখে ভালো লাগছে। তবে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের পাশাপাশি সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।’

সৈকতে পর্যটকদের নিরাপত্তায় কাজ করছেন লাইফগার্ড সদস্যরা। তারা জানান, সমুদ্রের পরিস্থিতি তুলনামূলক ভালো হলেও সতর্কতার অংশ হিসেবে ভাটার সময় লাল পতাকা টাঙানো হয়।

সি-সেফ লাইফগার্ডের সুপারভাইজার সাইফুল্লাহ সিফাত বাসস’কে বলেন, ‘সমুদ্রের পরিস্থিতি ভালো আছে। তবুও দুর্ঘটনা এড়াতে সতর্কতার অংশ হিসেবে ভাটার সময় লাল পতাকা টাঙানো হয়। পর্যটকরা পানিতে নামার পর যাতে কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে, সে জন্য কলাতলী, সুগন্ধা ও লাবণী পয়েন্টে আমরা দায়িত্ব পালন করছি।’

কক্সবাজার হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার বাসস’কে বলেন, ‘পুজার দীর্ঘ ৫ দিনের ছুটির আগেই কক্সবাজারে এভাবে পর্যটকের সমাগম হবে তা ছিল কল্পনার বাইরে। এতে আমরা অনেক খুশি।

আবুল কাশেম সিকদার বলেন, আশা করছি আগামী ২০ অক্টোবর থেকে ৫ দিনের দীর্ঘ পুজার ছুটিতে প্রতিদিন গড়ে এক লাখের চেয়ে বেশি পর্যটক কক্সবাজারে আসবেন। সেই হিসাবে পাঁচ দিনে ছয় লক্ষাধিক পর্যটকের সমাগম হতে পারে।’

তিনি জানান, কক্সবাজারে বিভিন্ন শ্রেণির ৫ শতাধিক হোটেল-মোটেল ও কটেজ রয়েছে। এরমধ্যে বেশিরভাগ আবাসিক প্রতিষ্ঠানের কক্ষ আগাম বুকিং হচ্ছে। ইতোমধ্যে অনেক হোটেলে প্রায় ৮০ শতাংশ কক্ষ বুকিং হয়ে গেছে।

এদিকে সমুদ্র সৈকতের পাশাপাশি পর্যটকদের উপস্থিতি দেখা গেছে, মেরিন ড্রাইভ, হিমছড়ি ঝর্ণাসহ জেলার বিভিন্ন পর্যটন স্পট গুলোতেও।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুর রহমান সায়েম বলেন, ‘পর্যটকদের নিরাপত্তা এবং পর্যটন শিল্পের ভালো ব্যবস্থাপনা সব সময় আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। আমরা নজরদারি করছি, যাতে কেউ অতিরিক্ত দাম নিতে এবং পর্যটকদের কোনো ধরনের হয়রানি করতে না পারে।’

বিষয়বস্তু:

মন্তব্য করুন

আজকের নামাজের সময়সূচি (ঢাকা)

সময় লোড হচ্ছে...

ADVERTISEMENT

ফেসবুকে আমরা

প্রতিদিনের খবর ইমেইলে

লিংক কপি হয়েছে!