বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার বলেছেন, দেশের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তায় কৃষি গ্র্যাজুয়েটদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ইন্টার্নশিপের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান ও বাস্তব এ অভিজ্ঞতা দেশের কৃষি খাতের উন্নয়নে কাজে লাগাতে হবে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের ২০২০-২১ সেশনের শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের সমাপনী ও সনদ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উপাচার্য বলেন, ইন্টার্নশিপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা মাঠপর্যায়ে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাচ্ছেন। এ অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশের কৃষি খাতের উন্নয়নে অবদান রাখতে হবে। ইন্টার্নশিপ কার্যক্রমকে আরও উন্নত ও কার্যকর করার আশ্বাস দিয়ে তিনি শিক্ষার্থীদের মাঠপর্যায়ে অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় তিনি ইন্টার্নশিপে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের সাফল্য কামনা করেন এবং তাদের হাতে সনদ তুলে দেন।
ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা ও কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. জি.এম. মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে ও অধ্যাপক ড. মো. হারুন অর রশীদের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, বাকৃবির ডিন কাউন্সিলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান।
এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে কৃষি অনুষদের পক্ষ থেকে উপাচার্যকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
এতে স্বাগত বক্তব্য দেন, ইন্টার্নশিপ ম্যানেজমেন্ট সেল (আইএমসি)-এর কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ড. মাসুম আহমাদ। ইন্টার্নশিপ বিষয়ে উপস্থাপনা করেন অধ্যাপক ড. শরীফ-আর-রাফি।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. জোয়ার্দার ফারুক আহমেদ, অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল ওয়াদুদ ও অধ্যাপক ড. সোনিয়া সেহেলি।
কৃষি অনুষদের ছাত্র সমিতির সভাপতি মো. সানাউল্লাহসহ ইন্টার্নশিপে অংশগ্রহণকারী তিন শিক্ষার্থী তাদের অভিজ্ঞতা ও মতামত তুলে ধরেন। এ সময় চারজন শ্রেণি প্রতিনিধির মাঝে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
উল্লেখ্য, পাঁচ ক্রেডিটের দুই মাস মেয়াদি এ ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামে মোট ২০টি গ্রুপে ১৯টি উপজেলায় এবং কয়েকটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানে ২৯৬ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছেন। তাদের মধ্যে পাঁচজন বিদেশে ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করবেন।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, কৃষি অনুষদের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ইন্টার্নশিপে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
