শিরোনাম:
Network News BD
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
মেনু
প্রচ্ছদ

© 2026 Network News BD

সোশ্যাল মিডিয়ার বাইরে তরুণদের পাঠাভ্যাস ও সাহিত্যচর্চা

ক্যাম্পাস ডেস্ক

ক্যাম্পাস ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৩১ PM ৫৪ বার পঠিত
সোশ্যাল মিডিয়ার বাইরে তরুণদের পাঠাভ্যাস ও সাহিত্যচর্চা

নেটওয়ার্ক নিউজ বিডি সম্পাদিত

বর্তমানে তরুণদের মধ্যে একটি সাধারণ প্রবণতা হলো, তাঁরা বই পড়তে চান না। অথচ, ঘন্টার পর ঘন্টা স্ক্রিনের রঙিন আলোয় এক অস্থির মোহে ডুবে থাকেন তাঁরা। কোনো তথ্য জানার উদ্দেশ্যে স্ক্রিনে চোখ রাখলেও আমরা অন্য কোনো সফটওয়্যারের মোহে বন্দী হয়ে যাই। কিংবা, স্ক্রিনের আলোয় নিরবিচ্ছিন্ন ও স্বতস্ফূর্তভাবে কোনো বই পড়া সম্ভব হয় না। আবার, কিঞ্চিৎ অসঙ্গতিপূর্ণ হলেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে সহজে যেকোনো তথ্য খুঁজে পাওয়ায় এখন আর তেমন কেউ বই পড়তে চান না। সোশ্যাল মিডিয়ার বাইরে তরুণদের পাঠাভ্যাস ও সাহিত্যচর্চার একটি উৎকৃষ্ট উপায় খুঁজে বের করার উদ্দেশ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন মতামত জানাচ্ছেন বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মো. জাহিদ হাসান।

 

স্ক্রিন আমার সহযোগী, বই পরম বন্ধু
সাইফুদ্দীন সিদ্দীক, শিক্ষার্থী, দা’ওয়াহ এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ।

স্ক্রিন টাইমের এই যুগে বই পড়ার অভ্যাস ধরে রাখা নিঃসন্দেহে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। একজন শিক্ষার্থী হিসেবে পড়াশোনার পাশাপাশি আমি নন-ফিকশন, প্রবন্ধ, ইতিহাস, আত্মজীবনী ও সৃজনশীল সাহিত্য পড়তে আগ্রহী। বিশেষ করে যে বই চিন্তার জগৎকে সমৃদ্ধ করে, নতুন কিছু জানতে সাহায্য করে এবং জীবন ও সমাজকে ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে শেখায়, সেসব বই আমার কাছে বেশি আকর্ষণীয়। প্রযুক্তির কল্যাণে এখন অসংখ্য বই অনলাইনে পিডিএফ আকারে সহজেই পাওয়া যায়। প্রয়োজনের সময় পিডিএফ বেশ কার্যকর হলেও ছাপার অক্ষরের বইয়ের আবেদন আমার কাছে আলাদা। একটি বই হাতে নিয়ে পড়া, পৃষ্ঠা উল্টানো, প্রয়োজনীয় অংশে দাগ দেওয়া, কিংবা বইয়ের পাতায় নিজের অনুভূতির সঙ্গে মিশে যাওয়ার যে অভিজ্ঞতা, যে ভালোবাসা তা স্ক্রিনে পুরোপুরি পাওয়া যায় না। তাই সুযোগ পেলে আমি এখনো ছাপা বইকেই বেশি প্রাধান্য দিই। বর্তমানে তরুণদের অনলাইন আসক্তি বই পড়ার অভ্যাসে বড় প্রভাব ফেলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, স্বল্পদৈর্ঘ্য ভিডিও ও বিনোদনমূলক কনটেন্ট তাৎক্ষণিক আনন্দ দিলেও দীর্ঘ সময় ধরে মনোযোগ দিয়ে পড়ার অভ্যাসকে দুর্বল করে দিচ্ছে। ঝরে যাচ্ছে হাজারো মেধাবী শিক্ষার্থী। প্রযুক্তির কাছে যতটুকু সুফল আশা করেছিলাম তার থেকে কুফল বেশি পেয়েছি। তবে প্রযুক্তিকে বই পড়ার প্রতিপক্ষ না বানিয়ে, বরং সহযোগী হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব। অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বইয়ের আলোচনা, ডিজিটাল লাইব্রেরি ও পাঠচক্র তরুণদের বইয়ের কাছে ফিরিয়ে আনতে পারে। আমার বিশ্বাস, প্রযুক্তির যুগেও বইয়ের প্রয়োজন ফুরাবে না, বরং দ্রুত পরিবর্তনশীল পৃথিবীতে গভীরভাবে চিন্তা করতে, নিজেকে বুঝতে এবং সমাজকে জানতে বইয়ের বিকল্প খুব কম।

সমৃদ্ধ জীবন গড়তে বই পড়া জরুরি
সঞ্চিতা অধিকারী সোমা, শিক্ষার্থী, বাংলা বিভাগ।

বর্তমান যুগ ডিজিটাল স্ক্রিন টাইমের আধিপত্যের যুগ। এই সময়ে অবস্থান করেও আমার কাছে প্রবন্ধ, সৃজনশীল সাহিত্যের আবেদন ফুরিয়ে যায়নি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও তথ্যের মহাসমুদ্রে সঠিক জ্ঞান, পর্যবেক্ষণ শক্তি, বিশ্লেষণী দৃষ্টিভঙ্গি ও চিন্তার গভীরতা ধরে রাখতে আমি নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের বই ও প্রবন্ধের সাথে যুক্ত থাকি। ব্যক্তিগতভাবে মনস্তত্ত্ব, বিজ্ঞান, ইতিহাস এবং বৈশ্বিক দর্শনবিষয়ক নন-ফিকশন বই পড়তে বেশি পছন্দ করি। পাশাপাশি মননশীল প্রবন্ধ ও সৃজনশীল সাহিত্য আমাকে নতুন দৃষ্টিকোণ প্রদান করে। অনলাইনে পিডিএফ বা ই-বুক পড়ার সুবিধা থাকলেও ছাপার অক্ষরের বইয়ের আবেদন সম্পূর্ণ অনন্য ও অতুলনীয় অবদান রাখে। বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে, ছাপার অক্ষরের বই দীর্ঘমেয়াদী তথ্য সংরক্ষণ ও গভীর অনুধাবনে স্ক্রিনের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর। নতুন বইয়ের সুঘ্রাণ, পাতা ওল্টানোর শব্দ এবং কাগজের সংস্পর্শ পাঠককে লেখার গভীরে নিমজ্জিত করে।তাছাড়া, ডিভাইস বা স্ক্রিনের নীল আলো চোখের ক্লান্তি বাড়ায় এবং মনোযোগে বিঘ্ন ঘটায়, যা বইয়ের পাতায় ঘটা সম্ভব না। বর্তমানে তরুণদের অতিমাত্রায় অনলাইন আসক্তি এবং বই পড়া থেকে বিমুখ হওয়ার বিষয়টি বেশ উদ্বেগজনক। সোশ্যাল মিডিয়ার সংক্ষিপ্ত কনটেন্ট বা রিলস তাদের গভীর মনোযোগের ক্ষমতা এবং সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা কমিয়ে দিচ্ছে। তবে পুরোপুরি প্রযুক্তি বর্জন করা কোনো কার্যকর সমাধান নয়, বরং তরুণদের মাঝে ডিজিটাল ডিটক্স এবং বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে সচেতনতা ও সুস্থ সাংস্কৃতিক পরিবেশ তৈরি করা জরুরি বলে মনে করি।

স্ক্রিনের ভিড়ে বইয়ের জগৎ
কানিজ ফাতেমা, শিক্ষার্থী, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ।

বর্তমান স্ক্রিন টাইমের যুগেও বই পড়ার আবেদন আমার কাছে অমলিন। নন-ফিকশন, ইতিহাসভিত্তিক বই, প্রবন্ধ ও সৃজনশীল সাহিত্য পড়তে আমি আগ্রহী। এসব বই আমাদের জ্ঞানের পরিধি বাড়ায়, চিন্তাশক্তিকে শাণিত করে এবং জীবনকে নতুনভাবে দেখতে শেখায়। অনলাইনে পিডিএফ পড়ার সুবিধা রয়েছে। অল্প সময়ে অসংখ্য বই সংগ্রহ করা যায় এবং যেকোনো জায়গায় পড়া সম্ভব। তবে ছাপা বই হাতে নিয়ে পড়ার অনুভূতি একেবারেই আলাদা। বইয়ের হলদে পাতায় লেপ্টে থাকে মৃদু ঘ্রাণ, পাতার ভাজে ভাজে আঙুলের স্পর্শ এবং পড়ার সময় নিবিড় মনোযোগ বইয়ের প্রতি যে আত্মিক টান তৈরি করে, যেভাবে আমাকে সময়ে-অসময়ে একজন প্রিয় বন্ধুর মতো অনুভূতি দেয়, তা স্ক্রিনের নীল আলো কখনোই দিতে পারেনা। বর্তমানে তরুণদের একটি অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ভিডিও গেম ও বিনোদনমূলক কনটেন্টে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করছে। ফলে নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে। তবে প্রযুক্তি আমাদের বেগ দিলেও আবেগকে কেড়ে নেয়নি। তাই এক্ষেত্রে প্রযুক্তিকে পুরোপুরি দায়ী না করে এর সচেতন ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি। কারণ, অনলাইনেও জ্ঞানসমৃদ্ধ বই ও প্রবন্ধ পড়ার প্রচুর সুযোগ রয়েছে। একজন বইপ্রেমী হিসেবে আমি মনে করি, বই পড়া কেবল অবসর কাটানোর মাধ্যম নয়; এটি মননশীল, মানবিক ও যুক্তিবাদী মানুষ গড়ে তোলার অন্যতম উপায়। তাই প্রতিদিন কিছুটা সময় বই পড়ার জন্য নির্ধারণ করা উচিত। স্ক্রিনের আলোয় বন্দী সময় না কাটিয়ে, বইয়ের আলোয় আলোকিত হোক আমাদের জীবন।

বইয়ের সাথে সখ্য গড়তে হবে
মোছা. রোকসানা, শিক্ষার্থী, আইন বিভাগ।

আমাদের সময়গুলো যে কিভাবে দিনদিন কিভাবে ডিজিটাল স্ক্রিন গলাধঃকরণ করছে তা আমরা টের পাই না। মনে করি, এই তো পাঁচ মিনিটের জন্য ফেসকবুক বা ইন্সটাগ্রাম থেকে ঘুরে আসি, তারপর পড়তে বসি। আমাদের মেধা বা সৃজনশীলতার বিকাশ একদমই অস্তমিত হয়ে যাচ্ছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি যে, ব্যক্তির সৃজনশীল মননের বিকাশের জন্য বই পড়া আবশ্যক, যেমন— নন-ফিকশন, বিভিন্ন ইতিহাস বিষয়ক গ্রন্থ, ভ্রমনকাহিনী, দিনলিপি, বিখ্যাত ব্যাক্তির জীবনী প্রভৃতি। ইতিহাস কে বলা হয়ে থাকে শিক্ষনীয় দর্পণ।আমরা ঘটনার মাধ্যমে বাস্তব জীবনে শিক্ষা লাভ করি। এছাড়াও বিভিন্ন ধর্মীয় গ্রন্থের মাধ্যমে আমরা সততা ন্যায়-নিষ্ঠা বিচার-বিবেচনা অর্জন করি। রম্যরচনা, বিভূতি-ভূষণ বন্দোপাধ্যায়ের রচনা, বিশেষ করে পথের পাচালি, শরৎচন্দ্রের রচনা প্রভৃতি আমার পছন্দের। এছাড়াও আমি ডিটেক্টিভ বা আইন রিলেডেট বই পড়তে ভালোবাসি যেহেতু আইনের শিক্ষার্থী। অনলাইনে পিডিএফ পড়ার চেয়ে প্রিন্টেড কোনো বই অবশ্যই উপকারি। জেমস রাসেল বলেছেন, “বই হলো এমন এক মৌমাছি যা অন্যদের সুন্দর মন থেকে মধু সংগ্রহ করে পাঠকের জন্য নিয়ে আসে” প্রকৃতপক্ষে স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে বই পড়া খুবই বিরক্তিকর শুধু আমার কাছেই নয়। অধিকাংশ মানুষের কাছে। তরুণরা যদি বই পড়া থেকে বিমুখ হয় তাহলে দেশের পতন অনিবার্য। তাই বই পড়ার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে হবে।

সুস্থভাবে জ্ঞানচর্চায় মুদ্রিত বই পড়া জরুরি
মোঃ আব্দুল্লাহ আল নোমান, শিক্ষার্থী, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ।

পাঠ্যবইয়ের চাপে বাইরের বই পড়ার সুযোগ যৎসামান্য হলেও, বাস্তব জীবনের আখ্যানসমৃদ্ধ আত্মজীবনী এবং উপন্যাসের সাথে নিজেকে জড়িয়ে রাখার আন্তরিক চেষ্টা করি। ছাপার অক্ষরের বইয়ের গন্ধ আর কাগজের স্পর্শ যে অপার্থিব আনন্দ দেয়, তা কাচের স্ক্রিনে মেলে না। প্রযুক্তির কৃত্রিম আলোয় পিডিএফ তথ্য দিলেও, সাহিত্যের অমিয় রস কেবল বইয়ের পাতা ওল্টানোর শব্দেই অনুরণিত হয়। ডিজিটাল স্ক্রিনের পিক্সেল যান্ত্রিক, আর সুমুদ্রিত বই চিরন্তন ঐতিহ্যের স্মারক। বইয়ের পৃষ্ঠার খসখসে পরশ লেখকের ভাবনার সাথে পাঠকের নিবিড় মিতালী গড়ে তোলে। মলাটের সুবাস ও কালির সূক্ষ্ম রেখা মনকে প্রশান্তির চাদরে জড়িয়ে নেয়, যা পিডিএফ কখনোই পারে না। তাই সাহিত্যের রস আস্বাদনে ছাপার বই-ই আমার পরম আরাধ্য। বর্তমানে স্মার্টফোনের অবাধ লভ্যতা ও সোশ্যাল মিডিয়ার মোহে তরুণ প্রজন্ম চরম অনলাইন আসক্তিতে নিমজ্জিত। ফেসবুক, টিকটক কিংবা গেমিংয়ের চটকদার কনটেন্টে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় পার করায় তারা বই পড়া থেকে বিমুখ হচ্ছে। গবেষকদের মতে, অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইমের কারণে তরুণদের মনোযোগের সময়সীমা ও গভীর চিন্তার ক্ষমতা আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পাচ্ছে। বই থেকে দূরে সরায় তাদের কল্পনাশক্তি ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, যা জাতির মননশীলতার জন্য বড় হুমকি। এই সংকট উত্তরণে লাইব্রেরি সংস্কৃতির পুনরুজ্জীবন ও বই পড়ার অভ্যাস ফিরিয়ে আনা এখন সময়ের দাবি।

মুদ্রিত বই পাঠককে অধিক মননশীল করে তোলে
সাহাফ আদনান, শিক্ষার্থী, দাওয়াহ এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ।

বর্তমান স্ক্রিন টাইমের যুগেও বই আমার কাছে জ্ঞান অর্জন, চিন্তার বিকাশ ও আত্মিক প্রশান্তির অন্যতম মাধ্যম। নন-ফিকশন, প্রবন্ধ, ইতিহাস, আত্মজীবনী এবং মননশীল সৃজনশীল সাহিত্য পড়তে আমি বিশেষ আগ্রহ বোধ করি। বিশেষ করে যে বই মানুষের চিন্তাজগৎকে সমৃদ্ধ করে, জীবনকে নতুনভাবে দেখতে শেখায় এবং মূল্যবোধ জাগ্রত করে, সেসব বই আমাকে বেশি আকৃষ্ট করে। অনলাইনে পিডিএফ পড়ার সুবিধা অনস্বীকার্য। তবে ছাপার অক্ষরের বই হাতে নিয়ে পড়ার অনুভূতি একেবারেই আলাদা। বইয়ের পৃষ্ঠা ওল্টানো, প্রিয় অংশে দাগ দেওয়া, কিংবা গুরুত্বপূর্ণ কথা চিহ্নিত করে রাখা সব মিলিয়ে মুদ্রিত বইয়ের প্রতি আমার আলাদা ভালো লাগা রয়েছে। বর্তমানে তরুণদের অনলাইন আসক্তি এবং বই পড়ার প্রতি অনাগ্রহকে আমি উদ্বেগজনক মনে করি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অতিরিক্ত ব্যবহার আমাদের মনোযোগ, ধৈর্য ও গভীরভাবে চিন্তা করার ক্ষমতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। অথচ বই মানুষকে ধৈর্যশীল, মননশীল ও জ্ঞানসমৃদ্ধ করে। আমার বিশ্বাস, প্রযুক্তি ও বই একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়; বরং সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে তারা পরিপূরক হতে পারে। প্রতিদিন কিছুটা সময় বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে তরুণ প্রজন্ম আরও সচেতন, মানবিক ও সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে।

শুভ্র/

মন্তব্য করুন

আজকের নামাজের সময়সূচি (ঢাকা)

সময় লোড হচ্ছে...

ADVERTISEMENT

ফেসবুকে আমরা

প্রতিদিনের খবর ইমেইলে

লিংক কপি হয়েছে!