শ্লীলতাহানির অভিযোগে পরীমনির করা মামলায় রাস্তায় যানজটে আটকে গিয়ে আদালতের সময় শেষ হয়ে গেল পরীমনির।
রোববার (৯ আগস্ট) সকালে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯ এর বিচারক শাহাদাৎ হোসেন ভূঁইয়ার আদালতে শ্লীলতাহানি, মারধর, বিভিন্ন ধরনের হুমকি ও যৌন হয়রানির অভিযোগে পরীমনির করা মামলায় তাকে জেরার দিন ধার্য ছিল।
তবে তিনি বাসা থেকে রওনা দিয়ে যথাসময়ে আদালতে পৌঁছানোর আগে কোর্টের সময় শেষ হয়ে যায়। নির্দিষ্ট সময়ে আদালতে পৌঁছাতে না পারায় আদালত এজলাস থেকে নেমে যান। একইসঙ্গে পরবর্তী জেরার তারিখ আগামী ৩০ নভেম্বর ধার্য করেন আদালত।
পরীমনির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত (সুরভী) বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এদিন এ মামলার তিন আসামির মধ্যে দুই আসামিও আদালতে হাজির হয়ে চলে যান। অপর আসামি সময়ের আবেদন করেন। এর আগেও গত ১০ ফেব্রুয়ারি অ্যাপেন্ডিসাইটিসের অপারেশনের পর অসুস্থ থাকায় আদালতে আসতে পারেননি পরীমনি। ওইদিনও এ মামলায় তাকে জেরার দিন ধার্য ছিল। ফলে তিনি জেরার জন্য ছয় মাস সময় পান।
এরও আগে গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর মামলাটি জেরার জন্য ছিল। তবে পরীমনির দুই বাচ্চাকে টিকা দেয়ায় তারা কিছুটা অসুস্থ থাকায় আদালতে আসেননি পরীমনি। এ কারণে ওইদিনও তার জেরা হয়নি। এর আগেও গত বছরের ২৬ মে এ মামলায় আদালতে আসেন পরীমনি। তবে আদালতে এসে অসুস্থ হয়ে পড়ায় জেরা হয়নি।
এ মামলার আরও আসামিরা হলেন নাসির উদ্দিন, তুহিন সিদ্দিকী অমি ও শহীদুল আলম। তারা জামিনে আছেন। ২০২১ সালের ১৪ জুন নাসির উদ্দিন ও অমির নাম উল্লেখ এবং চারজনকে অজ্ঞাত আসামি করে ঢাকার সাভার থানায় মামলা দায়ের করেন পরীমনি।
মামলাটি তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর আদালতে নাসিরসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা সাভার থানার ইন্সপেক্টর কামাল হোসেন। ২০২২ সালের ১৮ মে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়।
