শিরোনাম:
Network News BD
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
মেনু
প্রচ্ছদ

© 2026 Network News BD

ঈদ পরবর্তী স্বাস্থ্য সচেতনতা

সোমনা আক্তার

প্রকাশিত: ৩ জুন ২০২৬, ৯:২৯ AM ২৯ বার পঠিত
ঈদ পরবর্তী স্বাস্থ্য সচেতনতা

ছবি: সংগৃহীত

ঈদ মানেই পোলাও, বিরিয়ানি, মিষ্টি আর মাংসের মতো হরেক রকম গুরুপাক খাবারের আয়োজন। উৎসবের দিনগুলোতে অনিয়ন্ত্রিতভাবে এসব চর্বি ও ক্যালরিযুক্ত খাবার খাওয়ার ফলে পরিপাকতন্ত্রের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে। এর ফলে শরীর ভারী লাগে, অলসতা আসে এবং অনেকের গ্যাস্ট্রিক বা ওজনের সমস্যা দেখা দেয়। বিশেষ করে যারা আগে থেকেই উচ্চ রক্তচাপ বা ডায়াবেটিসে ভুগছেন, তাদের জন্য ঈদের অতিরিক্ত খাওয়া-দাওয়া মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত লাল মাংস খেলে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা দ্রুত বেড়ে যায়, যা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
এই শারীরিক অস্বস্তি কাটিয়ে শরীরকে সতেজ করতে সকালের হাঁটা অন্যতম সেরা উপায়। প্রতিদিন মাত্র ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটলে শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত ক্যালরি দ্রুত পোড়ে, হজমপ্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয় এবং বিপাকক্রিয়া উন্নত হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন ৩০ মিনিট মাঝারি গতিতে হাঁটলে হৃদরোগের ঝুঁকি প্রায় ৩৫ শতাংশ কমে। সকালের নির্মল বাতাস ও হালকা রোদে হাঁটলে রক্তসঞ্চালন বাড়ে, শরীরে ভিটামিন ডি তৈরি হয় এবং মন প্রফুল্ল হয়। নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে তোলে।
পাশাপাশি ঈদের পর অন্তত কয়েকদিন তৈলাক্ত খাবার কমিয়ে প্রচুর পানি পান করা জরুরি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ অনুযায়ী, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন কমপক্ষে ২ লিটার বা ৮ গ্লাস পানি পান করা উচিত। পানি শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয় এবং হজমশক্তি বাড়ায়। শাকসবজি ও ফলমূল বেশি খেলে শরীর দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। খাবারে আদা ও লেবুর রস যোগ করলে পেটের অস্বস্তি দূর হয়। পাশাপাশি প্রতিরাতে অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানো উচিত, কারণ পর্যাপ্ত ঘুম শরীরের পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে।
স্বাস্থ্য সচেতনতা শুধু অসুস্থ হলেই নয়, সুস্থ থাকার জন্যও সমান প্রয়োজন। উৎসবের আনন্দ যেন অসুস্থতার কারণ না হয়, সেই সচেতনতাই হোক আমাদের আসল ঈদের উপহার।

মন্তব্য করুন

আজকের নামাজের সময়সূচি (ঢাকা)

সময় লোড হচ্ছে...

ADVERTISEMENT

ফেসবুকে আমরা

প্রতিদিনের খবর ইমেইলে

লিংক কপি হয়েছে!