মুসলিম বিয়ে সম্পর্কে যা জানা জরুরি

মো. রাশেদ ইসলাম:
বিয়ের আয়োজন নিয়ে আমাদের প্রস্তুতির কমতি থাকে না। কিন্তু যে সম্পর্কের মধ্য দিয়ে দুজন মানুষের জীবনে নতুন অধিকার ও দায়িত্ব তৈরি হয়, তার আইনগত দিকগুলো অনেক সময় অজানাই থেকে যায়। কার সম্মতি প্রয়োজন, কাবিননামায় কী লেখা হচ্ছে, দেনমোহর কীভাবে নির্ধারিত হবে কিংবা বিবাহ নিবন্ধন না করলে কী সমস্যা হতে পারে এসব প্রশ্নের উত্তর বিয়ের আগেই জানা জরুরি। একইভাবে দ্বিতীয় বিবাহ, তালাক ও নারীর অধিকার সম্পর্কে প্রচলিত ধারণার সঙ্গে আইনের পার্থক্য বোঝাও প্রয়োজন।
মুসলিম বিবাহের আইনগত ভিত্তি
মুসলিম বিবাহ বা নিকাহ ধর্মীয় ও সামাজিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি একটি আইনস্বীকৃত চুক্তি। এর মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক অধিকার ও দায়িত্ব সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশে মুসলিম বিবাহের বিধান বিভিন্ন আইন ও মুসলিম ব্যক্তিগত আইনের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এর মধ্যে মুসলিম ফ্যামিলি লজ অর্ডিন্যান্স ১৯৬১, মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন ১৯৭৪, বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭, মুসলিম বিবাহবিচ্ছেদ আইন ১৯৩৯ এবং পারিবারিক আদালত আইন ২০২৩ উল্লেখযোগ্য।
বিবাহের শর্ত, আইনগত নিষেধাজ্ঞা, নিবন্ধনের বাধ্যবাধকতা এবং কোনো বিধান লঙ্ঘনের শাস্তি—এগুলো পৃথক বিষয়। কোনো নিয়ম ভঙ্গ হলেই বিবাহ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায়, এমন সিদ্ধান্ত সব ক্ষেত্রে সঠিক নয়।
বিবাহের প্রধান শর্ত
সম্মতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা: বিবাহের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রকৃত সম্মতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভয়, হুমকি বা জবরদস্তির মাধ্যমে সম্মতি আদায় করা যাবে না। পাশাপাশি তাঁদের বিবাহের অর্থ ও পরিণতি বোঝার সক্ষমতা থাকতে হবে। শারীরিক প্রতিবন্ধিতা বা মানসিক অসুস্থতার নামমাত্র উপস্থিতি দিয়ে কাউকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিবাহের অযোগ্য বলা যায় না।
সুন্নি হানাফি বিধানে প্রাপ্তবয়স্ক ও সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন নারীর নিজের বিবাহের চুক্তি করার সক্ষমতা স্বীকৃত। অন্য মতধারায় অভিভাবকের ভূমিকা সম্পর্কে ভিন্ন বিধান রয়েছে।
বয়স: বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭-এর ২ ধারা অনুযায়ী বিবাহের ক্ষেত্রে ২১ বছর পূর্ণ করেননি এমন পুরুষ এবং ১৮ বছর পূর্ণ করেননি এমন নারী অপ্রাপ্তবয়স্ক। আইনের ১৯ ধারায় বিশেষ পরিস্থিতিতে আদালতের নির্দেশ ও নির্ধারিত শর্তসাপেক্ষে ব্যতিক্রমের বিধান রয়েছে এটি সাধারণভাবে বাল্যবিবাহের অনুমতি নয়।
আইনের ৭ ও ৮ ধারায় বাল্যবিবাহের ক্ষেত্রে প্রাপ্তবয়স্ক পক্ষ, অপ্রাপ্তবয়স্ক পক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট অভিভাবক বা অন্য ব্যক্তির জন্য পৃথক শাস্তির বিধান রয়েছে। পরিস্থিতি অনুযায়ী কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড হতে পারে। তাই পুরোনো ব্যক্তিগত আইনের আলোচনা দিয়ে বর্তমান আইনের বয়সসংক্রান্ত বাধ্যবাধকতা এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।
ইজাব কবুল ও সাক্ষী: ইজাব অর্থ বিবাহের প্রস্তাব এবং কবুল অর্থ তা গ্রহণ করা। প্রস্তাব ও গ্রহণ একই বিবাহের বিষয়ে স্পষ্ট হতে হবে। বাগদান বা ভবিষ্যতে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি নিজে থেকে বিবাহ সম্পন্ন করে না। সুন্নি হানাফি বিধানে সাধারণভাবে দুজন যোগ্য মুসলিম পুরুষ অথবা একজন যোগ্য মুসলিম পুরুষ ও দুজন যোগ্য মুসলিম নারী সাক্ষীর উপস্থিতি প্রয়োজন। সাক্ষীদের প্রস্তাব ও গ্রহণ শুনতে এবং বুঝতে সক্ষম হতে হয়। শিয়া বিধানে এ বিষয়ে পার্থক্য রয়েছে।
বিবাহের নিষিদ্ধ সম্পর্ক ও প্রকারভেদ
মুসলিম ব্যক্তিগত আইনে কিছু সম্পর্কের সঙ্গে বিবাহ স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ। এর মধ্যে মা, মেয়ে, বোন, ফুফু, খালা, ভাই-বোনের মেয়ে এবং নির্দিষ্ট ঊর্ধ্বতন ও অধস্তন বংশধরদের সঙ্গে বিবাহের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। শাশুড়ি, পুত্রবধূ ও পিতার স্ত্রীর মতো নির্দিষ্ট বৈবাহিক সম্পর্ক এবং দুধসম্পর্কের কারণেও বিবাহ নিষিদ্ধ হতে পারে। তবে সব আত্মীয়তার সম্পর্কই নিষিদ্ধ নয়।
পূর্ববর্তী বিবাহ বহাল থাকা, ইদ্দত চলমান থাকা কিংবা একই সময়ে নিষিদ্ধভাবে নির্দিষ্ট আত্মীয় নারীদের বিবাহে রাখাও বাধা সৃষ্টি করতে পারে। ধর্মভেদেও বিবাহের বিধান ভিন্ন হতে পারে। তাই আন্তধর্মীয় বিবাহের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ব্যক্তিগত ও প্রণীত আইন যাচাই করা প্রয়োজন।
সুন্নি মুসলিম আইনে বিবাহকে সাধারণত সহিহ, বাতিল ও অনিয়মিত এই তিন শ্রেণিতে আলোচনা করা হয়। সহিহ বিবাহে প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ হয় এবং আইনগত বাধা থাকে না। বাতিল বিবাহ মৌলিক নিষেধের কারণে স্বীকৃত হয় না। অনিয়মিত বিবাহে নির্দিষ্ট ত্রুটি বা সাময়িক বাধা থাকে এর আইনগত পরিণতি পরিস্থিতিভেদে নির্ধারিত হয়। শিয়া আইনে এই শ্রেণিবিন্যাসের প্রয়োগ ভিন্ন। মুতআ বা নির্দিষ্ট মেয়াদের বিবাহ সম্পর্কেও সুন্নি ও নির্দিষ্ট শিয়া মতধারায় পৃথক বিধান রয়েছে।
দেনমোহর ও কাবিননামা
দেনমোহর স্ত্রীর আইনগত অধিকার এটি যৌতুক নয়। বিবাহের সময় দেনমোহরের পরিমাণ ও পরিশোধের পদ্ধতি নির্ধারণ করা উচিত। সাধারণভাবে দেনমোহর তাৎক্ষণিক ও বিলম্বিত এই দুই ভাগে নির্ধারিত হতে পারে।
মুসলিম ফ্যামিলি লজ অর্ডিন্যান্স ১৯৬১-এর ১০ ধারা অনুযায়ী, কাবিননামায় দেনমোহর পরিশোধের পদ্ধতি উল্লেখ না থাকলে সম্পূর্ণ দেনমোহর চাহিবামাত্র পরিশোধযোগ্য বলে গণ্য হয়। তাই বাস্তবে পরিশোধ না করে কাবিননামায় পরিশোধিত লেখা কিংবা না বুঝে কোনো শর্তে সম্মতি দেওয়া ভবিষ্যতে বিরোধ সৃষ্টি করতে পারে।
বিবাহ নিবন্ধন: প্রয়োজনীয়তা ও প্রক্রিয়া
মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন ১৯৭৪-এর ৩ ধারা অনুযায়ী মুসলিম আইনে সম্পাদিত প্রত্যেক বিবাহ নিবন্ধন করতে হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার লাইসেন্সধারী নিকাহ রেজিস্ট্রার বা কাজির সঙ্গে যোগাযোগ করা প্রয়োজন।
নিবন্ধনের আগে বর-কনের বয়স, পরিচয়, ঠিকানা ও বৈবাহিক অবস্থা যাচাই করতে হবে। জন্মনিবন্ধন, জাতীয় পরিচয়পত্র বা প্রযোজ্য পরিচয়পত্র, সাক্ষীদের তথ্য এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী পূর্ববর্তী বিবাহবিচ্ছেদ বা মৃত্যুসনদ প্রস্তুত রাখা উচিত। বিদ্যমান বিবাহের মধ্যে পরবর্তী বিবাহের ক্ষেত্রে সালিশি পরিষদের অনুমতির নথিও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
কাবিননামার প্রতিটি ঘর বুঝে পূরণ করা জরুরি। দেনমোহর, বিশেষ শর্ত এবং স্ত্রীকে তালাকের ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে কি না এসব বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। ফাঁকা কাগজে স্বাক্ষর করা উচিত নয়।
আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী নিকাহ রেজিস্ট্রার নিজে বিবাহ সম্পন্ন করলে সঙ্গে সঙ্গে নিবন্ধন করবেন। অন্য কেউ বিবাহ সম্পন্ন করলে বরকে বিবাহের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট নিকাহ রেজিস্ট্রারকে জানাতে হবে। নিবন্ধন শেষে সত্যায়িত কপি সংগ্রহ ও নির্ধারিত ফি পরিশোধের রসিদ সংরক্ষণ করা উচিত। ফি সম্পর্কে পুরোনো তথ্যের ওপর নির্ভর না করে সর্বশেষ কার্যকর বিধান যাচাই করতে হবে।
অনিবন্ধিত বিবাহ ও প্রচলিত ভুল ধারণা
বিবাহ নিবন্ধিত না হলে তার বৈধতা, প্রমাণ এবং আইন লঙ্ঘনের দায় এই তিনটি বিষয় আলাদাভাবে বিবেচনা করতে হয়। নিবন্ধন না হওয়ায় প্রত্যেক ক্ষেত্রে বিবাহ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায়, এমন সিদ্ধান্ত সঠিক নয়। তবে অনিবন্ধিত বিবাহে সম্পর্ক, দেনমোহর বা বিবাহের শর্ত অস্বীকার করা হলে প্রমাণসংক্রান্ত জটিলতা দেখা দিতে পারে।
নোটারি পাবলিকের সামনে হলফনামা করলেই কোর্ট ম্যারেজ সম্পন্ন হয় এ ধারণাও সঠিক নয়। হলফনামা প্রয়োজনীয় ইজাব-কবুল ও আইনানুগ নিবন্ধনের বিকল্প নয়। ফোন বা ভিডিও কলে বিবাহের ক্ষেত্রেও পরিচয়, সম্মতি, সাক্ষী, প্রতিনিধির ক্ষমতা এবং নিবন্ধনের বিষয় যথাযথভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
দ্বিতীয় বিবাহ ও বহুবিবাহের আইন
মুসলিম ফ্যামিলি লজ অর্ডিন্যান্স ১৯৬১-এর ৬ ধারা অনুযায়ী, বিদ্যমান বিবাহ বহাল থাকা অবস্থায় মুসলিম পুরুষের পরবর্তী বিবাহের জন্য সালিশি পরিষদের পূর্বলিখিত অনুমতি প্রয়োজন। আবেদন বিবেচনার সময় পরিষদ প্রস্তাবিত বিবাহ প্রয়োজনীয় ও ন্যায়সংগত কি না, তা নির্ধারণ করে। বর্তমান স্ত্রীর সম্মতি এবং সালিশি পরিষদের অনুমতি এক বিষয় নয়।
অনুমতি ছাড়া পরবর্তী বিবাহ করলে বকেয়া দেনমোহর অবিলম্বে পরিশোধ করতে হয়। আইন অনুযায়ী দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা দশ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে। এ ধরনের বিবাহ নিবন্ধনেও বিধিনিষেধ রয়েছে।
দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৪৯৪ ও ৪৯৫ ধারার প্রয়োগ পৃথক বিষয়। আগের বিবাহ আইনত বহাল থাকার কারণে পরবর্তী বিবাহ বাতিল হওয়ার শর্ত পূরণ হলে ৪৯৪ ধারা এবং সেই অপরাধের সঙ্গে আগের বিবাহ গোপনের বিষয় যুক্ত হলে ৪৯৫ ধারা প্রাসঙ্গিক হতে পারে। মুসলিম পুরুষের প্রত্যেক অনুমতিবিহীন দ্বিতীয় বিবাহে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ৪৯৪ ধারার শাস্তি প্রযোজ্য এমন ধারণা সঠিক নয়।
তালাক ও নারীর বিবাহবিচ্ছেদের অধিকার
মুসলিম ফ্যামিলি লজ অর্ডিন্যান্স ১৯৬১-এর ৭ ধারা অনুযায়ী স্বামী তালাক উচ্চারণ করলে সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানকে লিখিত নোটিশ দিতে এবং স্ত্রীকে তার অনুলিপি পাঠাতে হয়। সাধারণভাবে চেয়ারম্যানের কাছে নোটিশ পৌঁছানোর দিন থেকে ৯০ দিন শেষ হওয়ার আগে তালাক কার্যকর হয় না। স্ত্রী গর্ভবতী হলে নির্ধারিত সময় ও গর্ভাবস্থার সমাপ্তির মধ্যে যেটি পরে ঘটে, তা বিবেচ্য।
নারীরও বিবাহবিচ্ছেদের আইনগত পথ রয়েছে। স্বামী ক্ষমতা অর্পণ করে থাকলে স্ত্রী তালাক-ই-তাফউইজ প্রয়োগ করতে পারেন। আদালতের মাধ্যমে বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রে মুসলিম বিবাহবিচ্ছেদ আইন ১৯৩৯-এর ২ ধারায় নির্ধারিত কারণগুলো প্রাসঙ্গিক। প্রতিটি পদ্ধতির শর্ত ও প্রক্রিয়া আলাদা। একই দম্পতির পুনর্বিবাহের ক্ষেত্রে প্রত্যেকবার হিল্লা প্রয়োজন এ ধারণাও সঠিক নয় বিষয়টি প্রযোজ্য আইন ও বিচ্ছেদের প্রকৃত অবস্থার ওপর নির্ভর করে।
অধিকার লঙ্ঘিত হলে প্রতিকার
পারিবারিক আদালত আইন ২০২৩-এর ৫ ধারায় দেনমোহর, ভরণপোষণ, বিবাহবিচ্ছেদ, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার এবং শিশুদের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধানসংক্রান্ত মামলা অন্তর্ভুক্ত। অন্যদিকে প্রযোজ্য ফৌজদারি অপরাধের প্রতিকার পৃথক প্রক্রিয়ায় চাইতে হতে পারে।
নিকাহ রেজিস্ট্রার কপি দিতে অস্বীকার করলে বা নিবন্ধনে অনিয়ম হলে লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের সহায়তা নেওয়া যায়। আর্থিক অসচ্ছলতায় জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে সরকারি আইনগত সহায়তার জন্য আবেদন করা যেতে পারে। কাবিননামা, পরিচয়পত্র, নোটিশ, রসিদ ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক নথি সংরক্ষণ করা গুরুত্বপূর্ণ।
বিয়ের আগে আইন জানা সম্পর্কের প্রতি অবিশ্বাস নয় বরং পারস্পরিক সম্মান, স্বাধীন সিদ্ধান্ত ও অধিকার রক্ষার প্রস্তুতি। সম্মতি নিশ্চিত করা, বয়স যাচাই, কাবিননামা বুঝে স্বাক্ষর, যথাসময়ে নিবন্ধন এবং প্রয়োজনীয় নথি সংরক্ষণ এই অভ্যাসগুলো ভবিষ্যতের অনেক বিরোধের ঝুঁকি কমাতে পারে।
শিক্ষার্থী, ল অ্যান্ড ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া।