সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
অনলাইন সংস্করণ
Network News BD
QR Code
নিউজ লিঙ্ক স্ক্যান করুন

সরকারি নিয়োগে পুলিশ ভেরিফিকেশন, মেধার মূল্যায়ন নাকি সিস্টেমের বেড়াজাল?

নেটওয়ার্ক নিউজ বিডি ডেস্ক

মোঃ রবিউস সানি জোহা:

সরকারি চাকরি বাংলাদেশের লাখো তরুণ-তরুণীর আকাঙ্ক্ষিত পেশা। এটি আত্মনির্ভরতা, সামাজিক মর্যাদা এবং পরিবারের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণের অন্যতম মাধ্যম। বিশেষ করে বিসিএসের মতো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য একজন প্রার্থীকে বছরের পর বছর অধ্যবসায়, ত্যাগ ও কঠোর পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার ধাপ পেরিয়ে চূড়ান্ত সুপারিশ পাওয়ার পর তার প্রত্যাশা থাকে, নিয়োগের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়াও যথাসময়ে সম্পন্ন হবে। কিন্তু এই দীর্ঘ যাত্রার শেষ পর্যায়ে পুলিশ ভেরিফিকেশন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হলে তা শুধু একজন প্রার্থীর ভবিষ্যৎ নয়, পুরো নিয়োগব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তোলে।

রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, প্রার্থীর পরিচয় এবং আইনগত যোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ। তবে এই যাচাইয়ের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে উপযুক্ত প্রার্থী নির্বাচন করা, কোনো ব্যক্তিকে অপ্রমাণিত অভিযোগ কিংবা পারিবারিক পরিচয়ের কারণে বঞ্চিত করা নয়। বাংলাদেশের বিসিএসসহ বিভিন্ন সরকারি নিয়োগে নেতিবাচক পুলিশ ও গোয়েন্দা প্রতিবেদনের কারণে প্রার্থীদের নিয়োগ অনিশ্চিত হওয়ার যেসব ঘটনা সংবাদমাধ্যমে এসেছে, সেগুলো এই প্রশ্নকে নতুন করে সামনে এনেছে- নিয়োগের শেষ ধাপের যাচাইপ্রক্রিয়া কতটা প্রমাণনির্ভর, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক?

২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত প্রথম আলোর এক প্রতিবেদনে ৪৩তম, ৪৪তম ও ৪৮তম বিসিএসের নিয়োগসংক্রান্ত কয়েকটি তথ্য উঠে আসে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৪৩তম বিসিএসে ৬৫ জন, ৪৪তম বিসিএসে অন্তত ১১ জন এবং ৪৮তম বিশেষ বিসিএসের চিকিৎসক পদে ২১ জন প্রার্থী নেতিবাচক পুলিশ-গোয়েন্দা প্রতিবেদনসহ যাচাইসংক্রান্ত জটিলতার কারণে নিয়োগের অনিশ্চয়তায় পড়েন। এসব সংখ্যা সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনে উঠে আসা তথ্য; এগুলোকে সব বিসিএস বা সব সরকারি নিয়োগে বাদ পড়া প্রার্থীর মোট সংখ্যা হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না। তবু এ ধরনের তথ্য নিয়োগের শেষ পর্যায়ে যাচাইপ্রক্রিয়ার প্রভাব সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান প্রকাশের প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট করে।

বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে আইনের দৃষ্টিতে সমতা এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। ২৯ অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ লাভের ক্ষেত্রে সুযোগের সমতার কথা বলা হয়েছে। অন্যদিকে, ৩১ অনুচ্ছেদে আইন অনুযায়ী আচরণ পাওয়া এবং আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার স্বীকৃত হয়েছে। এসব সাংবিধানিক বিধান সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে ন্যায্যতা ও সমান সুযোগের গুরুত্ব তুলে ধরে। অবশ্য এর অর্থ এই নয় যে রাষ্ট্র কোনো প্রার্থীর অতীত কর্মকাণ্ড বা আইনগত যোগ্যতা যাচাই করতে পারবে না। বরং যাচাইয়ের মানদণ্ড হতে হবে আইনসম্মত, যুক্তিসংগত এবং সংশ্লিষ্ট পদের জন্য প্রাসঙ্গিক।

এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো- একজন প্রার্থীর নিজের কর্মকাণ্ডের পরিবর্তে তার পরিবারের পরিচয় কিংবা রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার ভিত্তিতে তাকে অযোগ্য বিবেচনা করা কতটা ন্যায়সংগত। কোনো ব্যক্তির বাবা, ভাই, চাচা কিংবা অন্য কোনো আত্মীয়ের রাজনৈতিক পরিচয় বা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে প্রার্থীকে সন্দেহের চোখে দেখা হলে ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতার মৌলিক নীতিই প্রশ্নের মুখে পড়ে। কোনো ব্যক্তি অপরাধ করলে তার দায় আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ওপর বর্তানোর কথা। পরিবারের অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা প্রমাণ ছাড়া তাদের কর্মজীবন ও নাগরিক সুযোগ সংকুচিত করা ন্যায়সংগত হতে পারে না।

গণতান্ত্রিক সমাজে রাজনৈতিক মতাদর্শ এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডকে এক করে দেখার সুযোগ নেই। একজন নাগরিকের শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ও মতপ্রকাশের অধিকার রয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে সততা, পেশাগত নিরপেক্ষতা এবং প্রযোজ্য আইনগত যোগ্যতা নিশ্চিত করাও জরুরি। কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে সহিংসতা, জালিয়াতি বা অন্য কোনো অপরাধে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকলে তা যথাযথ আইন ও বিধির আলোকে বিবেচনা করা যেতে পারে। কিন্তু কেবল রাজনৈতিক মতাদর্শ, অতীতের বৈধ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড কিংবা পরিবারের কারও পরিচয়ের ভিত্তিতে কাউকে অযোগ্য ঘোষণা করা হলে তা সমান সুযোগের নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়ে উঠতে পারে।

পুলিশ ভেরিফিকেশনের ক্ষেত্রে অভিযোগ ও প্রমাণের পার্থক্য বজায় রাখাও অত্যন্ত জরুরি। কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপিত হলেই তিনি অপরাধী হয়ে যান না। একইভাবে, কোনো মামলা থাকলেই তার প্রকৃতি, অভিযোগের ভিত্তি, তদন্তের অবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ভূমিকা বিবেচনা না করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত নয়। স্থানীয় পর্যায়ে ব্যক্তিগত বিরোধ, জমিজমা নিয়ে দ্বন্দ্ব, পারিবারিক শত্রুতা কিংবা রাজনৈতিক মতপার্থক্য থেকে কারও বিরুদ্ধে নেতিবাচক বক্তব্য আসতে পারে। এসব বক্তব্য যথাযথভাবে যাচাই না করে নিয়োগের সিদ্ধান্তে ব্যবহার করা হলে একজন নিরপরাধ প্রার্থীর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই তথ্যের উৎস, নির্ভরযোগ্যতা, প্রাসঙ্গিকতা এবং প্রার্থীর বক্তব্য যাচাইয়ের ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন।

সুপ্রিম কোর্টের রায় ও বিচারিক পর্যবেক্ষণও এ আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ। ২০২০ সালের একটি রিট মামলাসংক্রান্ত রায়ে পারিবারিক রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রার্থীর নিজস্ব কর্মকাণ্ডের মধ্যে পার্থক্যের বিষয়টি উঠে আসে। এ ধরনের বিচারিক আলোচনার তাৎপর্য হলো, প্রশাসনিক যাচাইয়ের ক্ষমতা থাকলেও তা যেন ব্যক্তির নিজের যোগ্যতা ও কর্মকাণ্ডের বাইরে গিয়ে স্বেচ্ছাচারী সিদ্ধান্তের ভিত্তি না হয়। তবে কোনো নির্দিষ্ট রায়ের প্রয়োগ সংশ্লিষ্ট মামলার প্রেক্ষাপট, আদেশের পরিধি ও প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী বিবেচনা করা জরুরি।

নিয়োগের শেষ পর্যায়ে অনিশ্চয়তার আরেকটি দিক হলো তথ্যের স্বচ্ছতা। ৪৪তম বিসিএসের গেজেট নিয়ে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারি কর্ম কমিশন ১ হাজার ৬৭৬ জনকে সুপারিশ করেছিল এবং গেজেটে ১ হাজার ৪৯০ জনের নাম প্রকাশিত হয়। অর্থাৎ সুপারিশপ্রাপ্ত ও গেজেটে অন্তর্ভুক্ত প্রার্থীর সংখ্যায় ১৮৬ জনের ব্যবধান ছিল। তবে এই ব্যবধানের সবটুকুকে পুলিশ ভেরিফিকেশনের কারণে বাদ পড়ার সংখ্যা হিসেবে ব্যাখ্যা করা সঠিক নয়; চিকিৎসা পরীক্ষা ও অন্যান্য প্রশাসনিক প্রক্রিয়াও এতে ভূমিকা রাখতে পারে। এই পার্থক্যই দেখায়, নিয়োগের প্রতিটি ধাপে কতজন প্রার্থী কোন কারণে বাদ পড়েছেন, সে বিষয়ে নির্ভুল ও শ্রেণিবদ্ধ তথ্য প্রকাশ করা কতটা জরুরি।

একজন প্রার্থীর নিয়োগ আটকে গেলে তার জানার অধিকার থাকা উচিত, কোন কারণে প্রক্রিয়াটি বিলম্বিত হচ্ছে, অতিরিক্ত কোনো নথি প্রয়োজন কি না এবং সিদ্ধান্তের পরবর্তী ধাপ কী। নিরাপত্তা বা আইনগত কারণে সব তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব না হলেও প্রার্থীকে সিদ্ধান্তের প্রাসঙ্গিক কারণ জানানোর একটি ন্যায্য ব্যবস্থা থাকা দরকার। এতে অপ্রয়োজনীয় অনিশ্চয়তা কমবে এবং ভুল তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত হলে তা সংশোধনের সুযোগ তৈরি হবে।

সরকারি চাকরিতে প্রাক্‌-নিয়োগ যাচাইয়ের পদ্ধতি সংস্কারের প্রশ্নও নীতিনির্ধারণী আলোচনায় এসেছে। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ‘Government Service (Pre-Certification of Candidates) Rules 2025’ নামে একটি বিধিমালার খসড়া প্রস্তুত করেছিল। প্রার্থীদের হয়রানি কমানো, অযোগ্যতার মানদণ্ড নির্দিষ্ট করা এবং পুনর্বিবেচনার সুযোগ রাখার মতো বিষয় এতে আলোচনায় আসে বলে সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়। তবে খসড়া প্রস্তুত হওয়া আর বিধিমালা চূড়ান্তভাবে অনুমোদিত ও কার্যকর হওয়া এক বিষয় নয়। তাই এর বর্তমান আইনগত অবস্থা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রজ্ঞাপন বা কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তথ্যের ভিত্তিতে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

পুলিশ ভেরিফিকেশনকে আরও কার্যকর ও ন্যায়সংগত করতে হলে প্রথমেই প্রমাণনির্ভর ও অভিন্ন মানদণ্ড নিশ্চিত করা দরকার। কোন ধরনের অপরাধ বা আইনগত অযোগ্যতা নিয়োগে প্রভাব ফেলতে পারে, তা সুস্পষ্টভাবে নির্ধারণ করতে হবে। নেতিবাচক প্রতিবেদনের ক্ষেত্রে অভিযোগের উৎস, তথ্যের প্রাসঙ্গিকতা এবং নির্ভরযোগ্যতা যাচাই করতে হবে। প্রার্থীর নিজের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পর্কহীন পারিবারিক বা রাজনৈতিক পরিচয় যেন অঘোষিত অযোগ্যতার মানদণ্ডে পরিণত না হয়, সেটিও নিশ্চিত করা জরুরি।

একই সঙ্গে যাচাইয়ের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা, সিদ্ধান্তের অবস্থা জানার ব্যবস্থা এবং কার্যকর পুনর্বিবেচনা বা আপিলের সুযোগ থাকা উচিত। কোনো প্রার্থী যদি মনে করেন তার বিরুদ্ধে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে, প্রাসঙ্গিক নথি উপেক্ষা করা হয়েছে কিংবা তথ্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে, তাহলে তিনি যেন নিরপেক্ষ কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করতে পারেন। ভুল প্রতিবেদন সংশোধন, প্রয়োজনে পুনরায় যাচাই এবং দায়িত্ব নির্ধারণের প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা থাকলে পুরো প্রক্রিয়ার গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে।

সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধা, যোগ্যতা, সততা ও আইনগত উপযুক্ততা—সবকিছুই গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যেমন জরুরি, তেমনি নাগরিকের সমান সুযোগ ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাও রাষ্ট্রের দায়িত্ব। এই দুটি উদ্দেশ্য পরস্পরবিরোধী নয়। বরং স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও প্রমাণনির্ভর যাচাইপ্রক্রিয়া থাকলে উভয় লক্ষ্যই অর্জন করা সম্ভব।

নেতিবাচক পুলিশ ভেরিফিকেশন নিয়ে আলোচনার উদ্দেশ্য যাচাইপ্রক্রিয়া বাতিল করা নয় বরং এর নির্ভরযোগ্যতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা। কোনো প্রার্থী যদি প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী অযোগ্য হন, তাহলে যথাযথ প্রমাণের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ অবশ্যই থাকতে হবে। কিন্তু অপ্রমাণিত অভিযোগ, পারিবারিক পরিচয় কিংবা রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার ধারণার ভিত্তিতে একজন যোগ্য প্রার্থী বঞ্চিত হলে তা ন্যায়সংগত নিয়োগের উদ্দেশ্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

একটি আধুনিক প্রশাসনের শক্তি শুধু দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, সেই সিদ্ধান্ত কতটা যুক্তিসংগত, নিরপেক্ষ ও জবাবদিহিমূলক, তার মধ্যেও নিহিত। সরকারি চাকরির নিয়োগপ্রক্রিয়ায় পুলিশ ভেরিফিকেশন তাই এমন হওয়া উচিত, যেখানে নিরাপত্তার স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি প্রার্থীর ন্যায্য অধিকারও সুরক্ষিত থাকবে। কোনো তরুণের ভবিষ্যৎ অস্পষ্ট প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর না করে; নির্ভর করুক যাচাইযোগ্য তথ্য, প্রযোজ্য আইন এবং ন্যায়সংগত সিদ্ধান্তের উপর।

লেখক ও গণমাধ্যমকর্মী

বিঃদ্রঃ প্রবন্ধ, নিবন্ধ, সাক্ষাৎকার ও প্রতিক্রিয়ায় প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্লেষণের প্রতিফলন। এগুলো নেটওয়ার্ক নিউজ বিডি‘র সম্পাদকীয় নীতি বা অবস্থানের সঙ্গে সর্বদা মিল নাও থাকতে পারে। প্রকাশিত লেখায় উপস্থাপিত ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ, তথ্য-উপাত্ত এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক বা আইনগতসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহের যথার্থতা ও মতামতের দায়িত্ব লেখকের নিজস্ব; নেটওয়ার্ক নিউজ বিডি কর্তৃপক্ষের অবস্থান নিরপেক্ষ।