সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
অনলাইন সংস্করণ
Network News BD
QR Code
নিউজ লিঙ্ক স্ক্যান করুন

এআইয়ের বিস্তার ও মানুষের বিবেচনাবোধের সংকট

নেটওয়ার্ক নিউজ বিডি ডেস্ক

হাবিব আল মিসবাহ:

ঢাকার এক কোচিং সেন্টারের ক্লাস-বিরতি। স্কুলপড়ুয়া রানা ফোন বের করে চ্যাট জিপিটি খুলল। লিখল, “বাংলা সাহিত্যে কবি শামসুর রহমানের অবদান নিয়ে একটি প্রবন্ধ চাই।” কয়েক সেকেন্ডেই উত্তর হাজির। ভূমিকা আছে, মূল আলোচনা আছে, উপসংহারও আছে। রানা শুধু নিজের মতো করে কয়েকটি শব্দ বদলে নেবে। তারপর সেটিই জমা দেবে।

একসময় এই কাজের জন্য বই খুলতে হতো, গাইড ঘাঁটতে হতো, লাইব্রেরিতে বসতে হতো, ভাবতে হতো, কবি-সাহিত্যিকদের জীবনী পড়তে হতো, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস পড়তে হতো। এখন উত্তর হাতের মুঠোয়। একটা এআই চ্যাটবট খুলে সামান্য একটা প্রম্পট লিখলেই মুহূর্তে উত্তর হাজির।

দৃশ্যটি খুব সাধারণ। কিন্তু এর ভেতরের প্রশ্নটি মোটেই সাধারণ নয়। আমরা কি প্রযুক্তির সাহায্যে শেখার কাজটি সহজ করছি, নাকি শেখার প্রয়োজনটিই ধীরে ধীরে হারিয়ে ফেলছি?

এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে বাংলাদেশের একটি কোচিং সেন্টার থেকে হঠাৎ আমাদের যেতে হয় বহু দূরের আরেক জগতে। মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস সম্প্রতি সতর্ক করেছেন, ভুল হাতে পড়লে এআই বিপুলসংখ্যক মানুষের মৃত্যুর কারণ হতে পারে। তাঁর মতে, সর্বাধুনিক এআইয়ের সঙ্গে অসৎ উদ্দেশ্যসম্পন্ন মানুষের সমন্বয় এমন শক্তি তৈরি করতে পারে, যার নজির আগে ছিল না। একই সঙ্গে তিনি আইনপ্রণেতা ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে এআই নিরাপত্তার আলোচনায় আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

একদিকে একটি শিশু এআই দিয়ে রচনা লিখছে। অন্যদিকে বিশ্বের অন্যতম প্রযুক্তিবিদ এআইয়ের সম্ভাব্য বিপর্যয় নিয়ে সতর্ক করছেন। দুই দৃশ্যের মধ্যে দূরত্ব অনেক। কিন্তু গল্পটি একই। প্রযুক্তি এগিয়ে যাচ্ছে, প্রশ্ন হলো, তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে মানুষের বিবেচনাবোধও কি এগোচ্ছে?

এআই নিয়ে সবচেয়ে বড় আশঙ্কাগুলোর একটি হলো, কোনো এক পর্যায়ে এটি মানুষের চেয়ে অনেক বেশি সক্ষম হয়ে উঠতে পারে। এ আশঙ্কাকে কেউ অতিরঞ্জিত মনে করেন, কেউ আবার মানবসভ্যতার ভবিষ্যৎ নিয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর একটি মনে করেন। এআই নিয়ে “ডুম” বা মানব বিলুপ্তির আশঙ্কা নিয়ে যে বিতর্ক চলছে, তার কেন্দ্রে রয়েছে একটি সরল প্রশ্ন। প্রশ্নটি হলো, এমন কোনো ব্যবস্থা তৈরি হলে, যার বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা আমাদের চেয়ে বহুগুণ বেশি, সেটিকে আমরা কতটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারব?

দার্শনিক নিক বোস্ট্রমের “পেপার ক্লিপ” চিন্তার পরীক্ষাটি এ প্রসঙ্গে বহুল আলোচিত। কল্পনা করা যাক, একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এআইকে শুধু একটি লক্ষ্য দেওয়া হলো, যত বেশি সম্ভব কাগজের ক্লিপ তৈরি করা। সে মানুষকে ঘৃণা করে না। মানুষের বিরুদ্ধে তার কোনো রাগও নেই। কিন্তু যদি তার লক্ষ্য পূরণের পথে মানুষ বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে মানুষকে সরিয়ে দেওয়া তার কাছে কোনো আবেগের সিদ্ধান্ত নাও হতে পারে। সেটি হতে পারে নিছক লক্ষ্য পূরণের হিসাব।

এখানে বিপদের জায়গাটি এআইয়ের খারাপ হয়ে যাওয়া নয়। বিপদ হতে পারে, সে আমাদের মতো করে ভালো-মন্দের অর্থই না বোঝা। তাই, কমান্ড অনুযায়ী, নিছক লক্ষ্য পূরণের জন্য সে ভুল কিছু করতে পারে, আর যা হতে পারে মানবসভ্যতার জন্য বিপদের কারণ।

তবে এই আশঙ্কাকে শুধু ভবিষ্যতের কল্পনা বলেও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। গত সেপ্টেম্বরে গুগল নিশ্চিত করেছে, তাদের জেমিনি মডেল মে মাসে একটি নিয়ন্ত্রিত সাইবার নিরাপত্তা পরীক্ষার সময় তিনটি বাস্তব প্রতিষ্ঠানের সুরক্ষিত ব্যবস্থায় অননুমোদিতভাবে প্রবেশ করেছিল। ঘটনাটি ঘটেছিল একটি কারিগরি ভুলের কারণে। পরীক্ষার জন্য ব্যবহৃত একটি কাল্পনিক কোম্পানির নাম দৈবক্রমে একটি বাস্তব কোম্পানির সঙ্গে মিলে যায়, আর পরীক্ষার পরিবেশে ভুলবশত খোলা ইন্টারনেট সংযোগ থেকে যায়। জেমিনি সেটিকে পরীক্ষারই অংশ ভেবে এগিয়ে যায়। একটি ক্ষেত্রে পাসওয়ার্ড অনুমান করে, অন্য দুটিতে উন্মুক্ত রিপোজিটরিতে পাওয়া লগইন তথ্য ব্যবহার করে মডেলটি প্রবেশ করে। তবে তিন ক্ষেত্রেই বাস্তব প্রতিষ্ঠান শনাক্ত করার পর জেমিনি নিজে থেকেই কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়।

এটি বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। একই বছরে ওপেনএআই, অ্যানথ্রপিক ও মেটার মডেলেও একই ধরনের নিয়ন্ত্রণ-পরিবেশ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। তাই ঘটনাটিকে সরাসরি এআইয়ের বিপজ্জনক হয়ে ওঠা হিসেবে দেখার চেয়ে, এআইকে বাড়তি স্বায়ত্তশাসন দেওয়ার ক্ষেত্রে কতটা নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা প্রয়োজন, সেই প্রশ্নটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ, সমস্যা শুধু এআই কতটা বুদ্ধিমান হচ্ছে, তা নয়, তার সক্ষমতা বাড়ার সঙ্গে মানুষের নিয়ন্ত্রণও কি যথেষ্ট বাড়ছে?
গবেষকেরা তাই প্রশ্নটি অন্যভাবে দেখতে বলেন। ভবিষ্যতের কোনো অত্যন্ত শক্তিশালী এআই কী করতে পারে, তার প্রতিটি পদক্ষেপ আগে থেকেই অনুমান করার ক্ষমতা কি আমাদের থাকবে? আমাদের চেয়ে অনেক বেশি বুদ্ধিমান কোনো সত্তার আচরণ আমরা কতটা বুঝতে পারব, সেটিই যদি অনিশ্চিত হয়, তাহলে নিয়ন্ত্রণের প্রশ্নটি প্রযুক্তির চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

তবে এই আশঙ্কার বিরোধিতাও আছে। কেউ কেউ মনে করেন, মানব বিলুপ্তির দূরবর্তী সম্ভাবনার চেয়ে কাছের বাস্তব ঝুঁকিগুলো নিয়ে বেশি ভাবা দরকার। এআই নিজে আমাদের ধ্বংস করবে কিনা, তার চেয়েও আগে প্রশ্ন হতে পারে, মানুষ এআইকে কীভাবে পরিচালনা করবে? বিল গেটসের সতর্কবার্তাতেও এই জায়গাটি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি শুধু এআইয়ের নিজস্ব ক্ষমতা নিয়ে কথা বলেননি, বলেছেন ভুল মানুষের হাতে পড়লে এর সম্ভাব্য বিপদের কথা।

এর একটি উদাহরণ পাওয়া যায় স্ট্যানফোর্ডের এক গবেষণায়। গবেষকেরা “ইভো” নামের একটি এআই মডেলকে বিপুল পরিমাণ জেনেটিক তথ্য দিয়ে প্রশিক্ষণ দেন। পরে সেই মডেলের সাহায্যে নতুন ধরনের কিছু ভাইরাস তৈরি করা হয়, যেগুলো ই. কোলাই ব্যাকটেরিয়াকে আক্রান্ত করতে সক্ষম। তবে গবেষণায় মানুষের রোগজীবাণুর তথ্য ব্যবহার করা হয়নি, তাই তৈরি ভাইরাসগুলো মানুষের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ নয়। বরং এই প্রযুক্তি ভবিষ্যতে অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে নতুন ধরনের চিকিৎসা তৈরিতে কাজে লাগতে পারে। তবে এখানেই দ্বিধা। যে প্রযুক্তি নতুন চিকিৎসার পথ খুলতে পারে, সেটিই অপব্যবহারের মাধ্যমে ক্ষতির কারণও হতে পারে। তাই দরকার কঠোর নিয়ন্ত্রণ।

বাংলাদেশের জন্য এআই আপাতত বিলুপ্তির প্রশ্ন নয়, শেখার প্রশ্ন। দেশের বিভিন্ন পত্রিকার প্রতিবেদনে প্রকাশিত এক গবেষণা অনুযায়ী, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ৯৭ শতাংশের বেশি শিক্ষার্থী চ্যাটজিপিটির বিনামূল্যের সংস্করণ ব্যবহার করেন। অনেক শিক্ষার্থী সরল স্বীকারোক্তি দিয়েছেন, কখনো কখনো পুরো অ্যাসাইনমেন্টই এআই দিয়ে বানিয়ে জমা দেওয়া হয়। সময় বাঁচে, কিন্তু নিজে ভাবা আর লেখার আগ্রহ হারিয়ে যাচ্ছে। এই এক বাক্য যে-কোনো নীতিমালার চেয়ে বেশি কথা বলে।

একজন শিক্ষার্থী একটা বিষয় নিয়ে নিজে ভাবল, বই পড়ল, তথ্য খুঁজল, ভুল করল, আবার লিখল। শিক্ষক ভুল ধরিয়ে দিলেন, সে সংশোধন করল। এই পুরো প্রক্রিয়াটিই শিক্ষা। এখন যদি এআই সেই পুরো প্রক্রিয়াটি বাদ দিয়ে সরাসরি উত্তর তৈরি করে দেয়, তাহলে কাজটি দ্রুত শেষ হবে। কিন্তু শিক্ষার্থীর ভেতরে যে চিন্তার ক্ষমতাটি তৈরি হওয়ার কথা ছিল, সেটি কি তৈরি হবে? নিশ্চয় না, আর এটিই সবচেয়ে বড় ক্ষতি। এআই ব্যবহারকারীদের সৃজনশীল চিন্তার ক্ষমতা নষ্ট করছে।

মেডিকেল শিক্ষার্থীদের ওপর এর প্রভাব আরও ভয়াবহ। রোগী দেখে প্রথমে তিন-চারটি সম্ভাব্য রোগের কথা ভাবতে হয়, মিল-অমিল যাচাই করতে হয়। অথচ নতুন অনেক শিক্ষার্থী সেই মেধা ব্যবহার না করে কেবল এআইয়ের ওপর ভরসা করছে, যা ভবিষ্যতে চিকিৎসাক্ষেত্রে বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।

গবেষণার জগতে সংকটটা আরও সরাসরি। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে আয়োজিত ‘একাডেমিক অ্যান্ড রিসার্চ ইন্টেগ্রিটি কনক্লেভ ২০২৬’-এ বক্তারা জানান, এআইয়ের অনৈতিক ব্যবহারে জাল গবেষণাপত্রের ঝুঁকি বাড়ছে। “পেপার মিল” চক্র এআই ব্যবহার করে বিপুলসংখ্যক ভুয়া গবেষণাপত্র তৈরি করছে। মনগড়া পরিসংখ্যান, অস্তিত্বহীন উদ্ধৃতি এবং ভুল তথ্য গবেষণার বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলছে। টার্নিটিনের এক প্রতিনিধির তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালের তুলনায় গবেষণাপত্র প্রত্যাহারের হার প্রায় ৮০ গুণ বেড়েছে। আরও ভয়ের কথা, প্রত্যাহৃত বা ভুল গবেষণা এআইয়ের তথ্যভাণ্ডারে থেকে গেলে পরে সঠিক তথ্য হিসেবে ফিরে আসতে পারে। শিক্ষার্থীর অ্যাসাইনমেন্ট থেকে বিজ্ঞানীর গবেষণাপত্র, বিশ্বাসযোগ্যতার ভিত্তিটাই তাই নড়ে যাচ্ছে।

মানবসভ্যতা বিলুপ্ত হবে কি না, সেটা নিয়ে বিতর্ক অনেক দূরের বিষয়। বাংলাদেশের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও গবেষকদের সামনে তার চেয়ে অনেক কাছের সমস্যা দাঁড়িয়ে গেছে।

উল্লেখযোগ্য বিষয়, ভিন্ন ভিন্ন মহল থেকে একই কথা উঠে আসছে, এআইকে নিষিদ্ধ করা যাবে না, আবার শর্তহীনভাবে গ্রহণও চলবে না। ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেছেন, কোথায় এআই ব্যবহার করা যাবে, কোথায় যাবে না এবং কতটুকু যাবে, নীতিমালায় তা স্পষ্ট থাকতে হবে। গবেষণায় এআইয়ের ব্যবহার ঘোষণা করার পরামর্শও তিনি দিয়েছেন। শুধু এআই শনাক্তকারী সফটওয়্যারের ওপর নির্ভর না করে মৌখিক পরীক্ষা ও গবেষণার খসড়া সংরক্ষণের মতো পদ্ধতির কথাও উঠেছে।

বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোও এখন প্রকাশ্যে গতি কমানো ও নিরাপত্তা গবেষণায় বেশি মনোযোগের কথা বলছে। তবে কার্যকর আন্তর্জাতিক বিধিনিষেধ গড়তে হলে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পদক্ষেপ লাগবে। ঝুঁকি নিয়ে যাঁরা সবচেয়ে বেশি সতর্ক, নীতিনির্ধারণের ক্ষমতা সব সময় তাঁদের হাতে নেই। এই বাস্তবতায় আমাদের নিজেদের ঘর আগে গোছানোই বুদ্ধিমানের কাজ।

মানবজাতির বিলুপ্তির আশঙ্কা সত্যি হবে কিনা, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞরাই একমত নন। সেই তর্ক চলুক। কিন্তু আমাদের সামনে তার চেয়েও কাছের, তার চেয়েও নিশ্চিত কিছু প্রশ্ন আছে। আমাদের সন্তানেরা কি ভাবতে শিখছে, নাকি শুধু উত্তর পেতে শিখছে? আমাদের গবেষণা কি জ্ঞান বাড়াচ্ছে, নাকি ভুয়া উদ্ধৃতির স্তূপ? আমরা কি প্রযুক্তির ব্যবহারকারী থাকব, নাকি তার অনুগত হয়ে পড়ব?

এসব প্রশ্নের উত্তর সিলিকন ভ্যালি বা ওয়াশিংটন থেকে আসবে না। আসবে আমাদের শ্রেণিকক্ষ, গবেষণাগার আর পরিবারের ভেতর থেকে। বিশ্ববিদ্যালয়ে স্পষ্ট নীতিমালা, প্রক্রিয়া-ভিত্তিক মূল্যায়ন, শিক্ষক ও অভিভাবকদের এআই-সচেতনতা, এর কোনোটাই বিশাল বাজেটের কাজ নয়। দরকার শুধু শুরু করার সিদ্ধান্ত। এআই সহায়ক হাতিয়ার হতে পারে, কিন্তু মানুষের বিচারবোধ, সৃজনশীলতা আর গবেষণার বিকল্প নয়। তাই শুধু নীতিমালা করলেই হবে না, প্রশিক্ষণ ও অবকাঠামোসহ তার বাস্তবায়নও নিশ্চিত করতে হবে।

এআই যত বুদ্ধিমান হবে, মানুষের বিবেচনাবোধ তত দামি হতে হবে। সেই বিবেচনাবোধ গড়ে তোলার দায়িত্ব যন্ত্রের নয়, আমাদের।

লেখক: হাবিব আল মিসবাহ, শিক্ষার্থী, আল-কুরআন এণ্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া।