আজ ‘বিশ্ব স্বপ্ন দেখা দিবস’

আজ ‘বিশ্ব স্বপ্ন দেখা দিবস।’ বিশ্ব স্বপ্ন দেখা দিবসের সূচনা ঘটে ২০১২ সালে, যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ওজিওমা এগুয়াওয়ানওয়ের উদ্যোগে।
দিবসটির মূল উদ্দেশ্য হলো-মানুষকে নিজের স্বপ্ন, লক্ষ্য ও ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে এবং সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য পদক্ষেপ নিতে উৎসাহিত করা।
বিশ্ব স্বপ্ন দেখা দিবস উদযাপনের উদ্দেশ্য: ব্যক্তিগত স্বপ্নের পাশাপাশি সমাজ ও বিশ্বের জন্য ইতিবাচক পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখতে মানুষকে উৎসাহিত করা।
দিবসটির দর্শন: স্বপ্ন শুধু কল্পনা নয়; সঠিক পরিকল্পনা ও সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়া সম্ভব। বিভিন্ন দেশ ও সম্প্রদায়ের মানুষ এই দিনে নিজেদের স্বপ্ন, লক্ষ্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা, কর্মশালা ও বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নিতে শুরু করে।
দিবসটির মূল বার্তা— ‘স্বপ্ন দেখুন, বিশ্বাস করুন এবং কাজে নেমে পড়ুন’। বিশ্ব স্বপ্ন দেখা দিবস মানুষকে মনে করিয়ে দেয়-বড় কোনো পরিবর্তন প্রথমে একটি স্বপ্ন হিসেবেই শুরু হয়।
স্বপ্ন মানুষকে শুধু ভবিষ্যতের কল্পনায় ডুবিয়ে রাখে না, বরং বাস্তবতার পথেও হাঁটতে শেখায়। প্রত্যেক মানুষই কমবেশি স্বপ্ন দেখে থাকেন। কত রঙ-বেরঙের স্বপ্ন। স্বপ্ন জেগে এবং ঘুমিয়ে উভয় অবস্থাতেই মানুষ দেখতে ভালোবাসেন। আর স্বপ্ন দেখেন বলেই সে স্বপ্নপূরণের ইচ্ছেতে মানুষ বেঁচে থাকেন। প্রতিটি মানুষ কোনো না কোনোভাবে স্বপ্ন দেখে। সে স্বপ্ন কখনো হয় ব্যক্তিগত, কখনো সামাজিক, আবার কখনো বৈশ্বিক কল্যাণের প্রতিচ্ছবি। স্বপ্ন দেখা ছাড়া মানুষ বাঁচতে পারে না।
পৃথিবীতে অনেক নতুন শুরু হয়েছে স্বপ্নের মাধ্যমে। বছরের পর বছর ধরে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন উদ্ভাবন একেকজনের স্বপ্নের বাস্তব রূপ। অনেক কবি-সাহিত্যিক তাদের বই বা গান রচনা করেছেন স্বপ্ন থেকেই।