শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
অনলাইন সংস্করণ
Network News BD
QR Code
নিউজ লিঙ্ক স্ক্যান করুন

তৃতীয় লিঙ্গের শিক্ষায় অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করাই ছিল বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য: শিক্ষামন্ত্রী

নেটওয়ার্ক নিউজ বিডি ডেস্ক

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রদত্ত বক্তব্যের একটি শব্দ নিয়ে তৈরি হওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত অস্পষ্টতা নিরসনে স্পষ্টীকরণ বিবৃতি দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

বিবৃতিতে তিনি জানান, তার বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য ছিল পিছিয়ে পড়া তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের শিক্ষায় অংশগ্রহণ ও অর্জনকে উৎসাহিত করা।

আজ শুক্রবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক স্পষ্টীকরণ বার্তায় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে দেওয়া আমার বক্তব্যে ব্যবহৃত একটি শব্দের সংশোধন ও বক্তব্যের প্রেক্ষাপট স্পষ্ট করতে চাই। সেদিনের অনুষ্ঠানে তৃতীয় লিঙ্গের একজন শিক্ষার্থী ডিগ্রি অর্জন করেন। তার এই অর্জনকে স্বাগত জানিয়ে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের শিক্ষায় অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করার প্রসঙ্গে আমি কথা বলেছিলাম।’

সমাজে তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীর নানা প্রতিকূলতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সমাজে তারা অনেকেই অবহেলা, বঞ্চনা ও নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির মুখোমুখি হন। এসব বাধা পেরিয়ে তাদের শিক্ষায় এগিয়ে আসার বিষয়টিই ছিল আমার বক্তব্যের মূল কথা।’

শব্দচয়নজনিত ভুলের ব্যাখ্যা দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করেন, ‘বক্তব্যের সময় ‘তৃতীয় লিঙ্গ’ বলতে গিয়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে ‘ট্রান্সজেন্ডার’ শব্দটি ব্যবহার করেছি। এখানে আমার অভিপ্রেত শব্দ ছিল ‘তৃতীয় লিঙ্গ’।’

দেশের মানুষের ধর্মীয় ও সামাজিক অনুভূতিকে সম্মান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দেশের মানুষের ধর্মীয় মূল্যবোধ ও অনুভূতির প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। সেদিনের বক্তব্যের উদ্দেশ্য ছিল কেবলই তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের শিক্ষার সুযোগ ও তাদের শিক্ষাগত অর্জনকে উৎসাহিত করা।’

উল্লেখ্য, গত ২৮ অক্টোবর বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদান করেন শিক্ষামন্ত্রী।