ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: শেষ মুহূর্তে চমকপ্রদ প্রচারণায় বিএনপি

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের আসন্ন উপনির্বাচনকে সামনে রেখে দিন-রাত ব্যস্ত সময় পার করছেন বিএনপি মনোনীত ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমিন। নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণার শেষ সময়ে ভোটারদের আস্থা অর্জনে এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন তিনি। এরই অংশ হিসেবে রুহিয়া উপজেলার ২ নম্বর আখানগর ইউনিয়নের বিভিন্ন অলিগলি ও পাড়া-মহল্লায় ব্যাপক গণসংযোগ এবং একাধিক উঠান বৈঠক সম্পন্ন করেছেন।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দিনভর আখানগর ইউনিয়নের চতুরাখোর, দলুয়াপাড়া, শুকানীপাড়া, দেবীডাঙ্গা, মধ্য ও উত্তর ঝাড়গাঁও, রেনেসাঁ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ, মহেশপুরের বাগানবাড়ী এবং ভেলারহাট নির্বাচনী কার্যালয়সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সাধারণ মানুষের সাথে কুশল বিনিময় ও উঠান বৈঠক করেন তিনি। এছাড়া ঢোলারহাট ইউনিয়নের শুক ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায়ও প্রচার অভিযান চালান এই প্রার্থী।
বিভিন্ন স্থানে আয়োজিত সুধী সমাবেশ ও উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফয়সল আমিন বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আগামী ২৯ অক্টোবর ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে তাকে বিজয়ী করার আকুল আবেদন জানান।
ঠাকুরগাঁওয়ের সামগ্রিক উন্নয়নের রূপরেখা তুলে ধরে তিনি বলেন, “এ অঞ্চলে দুটি নতুন উপজেলা গঠন, বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ও বিমানবন্দর পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং ইপিজেড স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি চারটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সরকারিকরণ করার কাজ চলছে। ঠাকুরগাঁওয়ের অবহেলিত মানুষের ভাগ্যন্নোয়নে ও এসব মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে এলাকার একজন প্রতিনিধিকে সংসদে পাঠানো জরুরি।”
ভোটারদের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি আরও বলেন, “আপনারা আপনাদের মূল্যবান ভোট ধানের শীষে দিয়ে আমাকে সেবার সুযোগ দিন। আমি জয়ী হতে পারলে আখানগর ইউনিয়নে একটি মানসম্মত কলেজ প্রতিষ্ঠা করব। একই সাথে গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার সংস্কার, কৃষি খাতের আধুনিকায়ন ও সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষায় সর্বাত্মক চেষ্টা চালাব।
প্রচারণাকালে প্রার্থীর সঙ্গে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও রুহিয়া উপজেলা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক আবু হায়াত নুর নবী, জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আনসারুল হক, রুহিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল জব্বার, সাংগঠনিক সম্পাদক ইন্তাজুল হক এবং আখানগর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইবনে ফজল উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া উপজেলা, ইউনিয়ন বিএনপি এবং এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক গণসংযোগে অংশ নেন।