সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
অনলাইন সংস্করণ
Network News BD
QR Code
নিউজ লিঙ্ক স্ক্যান করুন

বর্ণাঢ্য আয়োজনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

নেটওয়ার্ক নিউজ বিডি ডেস্ক

‘তারুণ্যে দীপ্তপ্রাণ-ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বর্ণাঢ্য র‌্যালি, বিশেষ শিল্পকর্ম প্রদর্শনী, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও কনসার্টসহ নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস-২০২৬ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হচ্ছে।

সোমবার (২ নভেম্বর) দিনব্যাপী এসব কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

সকাল ৯টায় জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের কার্যক্রম শুরু হয়। পরে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মঞ্জুর মুর্শেদ ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, রেজিস্ট্রার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, প্রভোস্ট, প্রক্টর, বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক, জকসু নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাংবাদিক প্রতিনিধি ও বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন।

পরে উপাচার্যের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বর্ণাঢ্য র‌্যালি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে শুরু হয়ে রায়সাহেব বাজার মোড় ও ভিক্টোরিয়া পার্ক পরিক্রমা করে ক্যাম্পাসে ফিরে শেষ হয়। র‌্যালিতে শিক্ষার্থীরা বর্ণিল পোশাকে নেচে-গেয়ে অংশ নেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ইনস্টিটিউট, বিভাগ ও হল, শিক্ষক সমিতি, জকসু, কর্মকর্তা সমিতি, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন, ছাত্রসংগঠন, সাংবাদিক সংগঠন এবং কর্মচারী সমিতি নিজ নিজ ব্যানারে র‌্যালিতে অংশ নেয়।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে শহিদ সাজিদ ভবনের নিচতলায় চারুকলা অনুষদের উদ্যোগে ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকার ইতিহাস: ঐতিহ্য, অর্জন ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক বিশেষ শিল্পকর্ম প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. বজলুর রশীদ খান।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রূহের মাগফিরাত কামনা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কল্যাণ কামনায় বাদ জোহর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন।

দোয়ার আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় উপাচার্য বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়কে নিজেদের ধারণ করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে নিজ নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং প্রয়াত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের রূহের মাগফিরাত কামনা করছি।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোস্তফা হাসানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন, শিক্ষক সমিতির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ লোকমান হোসেন এবং কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি খন্দকার হাবিবুর রহমান। আলোচনা পর্ব সঞ্চালনা করেন মসজিদ কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বিলাল হোসাইন। দোয়া পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম মো. ছালাহ উদ্দিন।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন মেয়েদের জন্য নির্ধারিত নামাজের স্থান থেকে দোয়া মাহফিলে অংশ নেন। এছাড়া বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, রেজিস্ট্রার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, প্রভোস্ট, প্রক্টর, বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক, জকসু নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাংবাদিক প্রতিনিধি ও ছাত্রসংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

দিনব্যাপী অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও কনসার্ট।

শুভ্র/