কক্সবাজার কমার্স কলেজে প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ইউএনডিপির উদ্যোগ

প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শুধু সচেতনতা নয়, বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে কক্সবাজার কমার্স কলেজ। একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক দূষণ কমাতে ইউএনডিপি বাংলাদেশ কলেজটিকে বর্জ্য পৃথকীকরণ বিন দেওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় রিসাইক্লিং উদ্যোক্তাদের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করেছে। এখন থেকে নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী এসব প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ করে পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ বা রিসাইক্লিংয়ের জন্য পাঠানো হবে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) আয়োজিত এক কর্মসূচিতে কলেজের ১৩৫ জনের বেশি শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারী অংশ নেন। এতে প্লাস্টিক দূষণের ক্ষতিকর দিক, উৎসে বর্জ্য পৃথকীকরণ এবং পুনর্ব্যবহারের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। পচনশীল ও অপচনশীল বর্জ্য ফেলার জন্য কলেজটিতে ১২০ লিটার ধারণক্ষমতার পৃথক বিন দেওয়া হয়েছে।
কর্মসূচিতে ‘Reduce, Reuse, Recover ও Recycle’—এই ফোর-আর (4R) কাঠামোর মাধ্যমে প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পুরো প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করা হয়। এ ছাড়া হাতে-কলমে বর্জ্য পৃথকীকরণ, কুইজ ও পরিবেশ রক্ষার শপথ অনুষ্ঠিত হয়। শ্রেণিকক্ষ ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পৃথক বিন স্থাপন, সংগৃহীত প্লাস্টিক আলাদাভাবে হস্তান্তর এবং সপ্তাহে এক দিন পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি পরিচালনার অঙ্গীকার করে কলেজ প্রশাসন।
অনুষ্ঠানে কলেজের অধ্যক্ষ মো. জসীম উদ্দিন বলেন, প্লাস্টিকবিরোধী সচেতনতা বাড়াতে কলেজ কর্তৃপক্ষ কাজ করে যাবে। এ সময় বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর খালেকও প্লাস্টিক বর্জ্য কমাতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
দ্য কোকা-কোলা ফাউন্ডেশনের অর্থায়ন ও বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় এবং বেসরকারি সংস্থা ইপসার (YPSA) স্থানীয় সহায়তায় ইউএনডিপি বাংলাদেশ ‘প্লাস্টিকস সার্কুলারিটি প্রজেক্ট’-এর আওতায় এই ক্যাম্পেইন পরিচালনা করছে। টাঙ্গাইল, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রতিটি ক্যাম্পাসে সংগৃহীত প্লাস্টিকের পরিমাণ নিয়মিত লিপিবদ্ধ করার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।