শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অনলাইন সংস্করণ
Network News BD
QR Code
নিউজ লিঙ্ক স্ক্যান করুন

ইনোভেশন ফেয়ারে যবিপ্রবির ন্যানো ইউরিয়া, প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর

নেটওয়ার্ক নিউজ বিডি ডেস্ক

দেশীয় উদ্ভাবনকে গবেষণাগার থেকে বাণিজ্যিক উৎপাদন ও বাজারে নেওয়ার লক্ষ্যে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬’-এ প্রশংসা কুড়িয়েছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) উদ্ভাবিত ‘ন্যানো ইউরিয়া’। মেলায় প্রকল্পটি পরিদর্শন করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উদ্ভাবনটির প্রশংসা করেছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট গবেষক।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিজয় সরণির নভোথিয়েটারে তিন দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬’-এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ‘ইনোভেট টু মার্কেট’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় আয়োজিত এ মেলায় দেশীয় উদ্ভাবক, উদ্যোক্তা, গবেষক, বিনিয়োগকারী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে।

মেলায় যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইয়ারুল কবীরের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধি দল অংশ নেয়। এ সময় কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জাভেদ হোসেন খান তাঁর উদ্ভাবিত ন্যানো ইউরিয়ার গবেষণা, কার্যকারিতা ও সম্ভাবনা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন।

অধ্যাপক ড. জাভেদ হোসেন খান বলেন, ২০১৯ সালে উদ্ভাবিত ন্যানো ইউরিয়া প্রধানমন্ত্রী পছন্দ করেছেন। দেশে সারের সংকট মোকাবিলায় ন্যানো ফার্টিলাইজারের সম্ভাবনা তুলে ধরলে প্রধানমন্ত্রী নীতিগত প্রক্রিয়া শেষে এটি দ্রুত কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী উদ্ভাবনটিকে ‘অত্যন্ত চমৎকার উদ্যোগ’ এবং ‘নিজস্ব দেশীয় পণ্য’ হিসেবে প্রশংসা করেছেন। পাশাপাশি ল্যাবরেটরিতে উদ্ভাবিত পণ্যকে বাণিজ্যিক উৎপাদনে নেওয়ার ক্ষেত্রে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার আশ্বাস দিয়েছেন।

সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশে প্রচলিত ইউরিয়া সারের ব্যবহার ও আমদানিনির্ভরতার পাশাপাশি কৃষকের উৎপাদন ব্যয় কমাতে কার্যকর বিকল্প প্রযুক্তির প্রয়োজন রয়েছে। সেই বিবেচনায় ন্যানো ইউরিয়ার বাণিজ্যিক উৎপাদন ও মাঠপর্যায়ে ব্যবহার শুরু হলে কৃষি খাতে এর সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইয়ারুল কবীর বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগারে উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ও পণ্যকে শিল্প পর্যায়ে নেওয়া এবং বাণিজ্যিক উৎপাদনে সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন। উদ্ভাবিত পণ্য যেন গবেষণাগার থেকে সরাসরি বাজারে পৌঁছাতে পারে, সে লক্ষ্যে সরকারের জোরালো ভূমিকা প্রত্যাশা করেন তিনি।

এবারের ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার’-এর অন্যতম লক্ষ্যই হচ্ছে দেশীয় উদ্ভাবনকে নীতি সহায়তা, বিনিয়োগ ও বাজারের সঙ্গে যুক্ত করা। মেলায় প্রযুক্তি, কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পরিবেশসহ বিভিন্ন খাতের উদ্ভাবনী প্রকল্প প্রদর্শিত হচ্ছে।

শুভ্র/