মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অনলাইন সংস্করণ
Network News BD
QR Code
নিউজ লিঙ্ক স্ক্যান করুন

‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’ প্রতিপাদ্যে ঢাবিতে বৈশাখী শোভাযাত্রা

নেটওয়ার্ক নিউজ বিডি ডেস্ক

‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’ প্রতিপাদ্য নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) উদযাপিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ বের করার মাধ্যমে এই বর্ষবরণ উৎসব উদযাপিত হয়।

​সকাল ৯টায় শুরু হওয়া শোভাযাত্রাটি চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে যাত্রা করে শাহবাগ, টিএসসি ও দোয়েল চত্বর হয়ে বাংলা একাডেমির সামনে দিয়ে পুনরায় চারুকলায় গিয়ে শেষ হয়। এতে নেতৃত্ব দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

​শোভাযাত্রায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, ঢাবির উপ উপাচার্য (প্রশাসন) ও বর্ষবরণ কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খানসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, বিদেশি কূটনীতিক ও নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

​এবারের শোভাযাত্রার প্রধান আকর্ষণ ছিল পাঁচটি বড় মোটিফ। মোরগ, বেহালা, পায়রা, হাতি ও ঘোড়ার এই লোকজ প্রতীকগুলো শক্তি, সৃজন, শান্তি, গৌরব ও গতিময়তার অর্থ বহন করে। পাশাপাশি ২০০ শিক্ষার্থীর হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা। ৩৫ জন বাদ্যযন্ত্রশিল্পীর পরিবেশনায় জাতীয় সংগীত, এসো হে বৈশাখ ও দেশাত্মবোধক গান আয়োজনে ভিন্ন মাত্রা যোগ করে।

​উৎসবে নিজস্ব সংস্কৃতির চর্চা বাড়ানোর ওপর জোর দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। তিনি বলেন, আমরা অনেক ক্ষেত্রেই নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য থেকে বিচ্যুত হয়ে অন্য সংস্কৃতির অনুসরণে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছি। নিজেদের শক্তিশালী সংস্কৃতিকে ধারণ ও চর্চার মাধ্যমে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি।

​মূল আয়োজনের পাশাপাশি ঢাবির কলা অনুষদ, সংগীত বিভাগ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব পৃথকভাবে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এছাড়া উৎসবের অংশ হিসেবে ১৫ ও ১৬ এপ্রিল চারুকলার বকুলতলায় ‘বাগদত্তা’ ও ‘দেবী সুলতানা’ শীর্ষক দুটি যাত্রাপালা মঞ্চস্থ হবে।